৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে আদালতে হাজিরের নির্দেশ

মঙ্গলবার, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২১

৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে আদালতে হাজিরের নির্দেশ
বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াঃ ফাইল ছবি

নাইকো দুর্নীতির মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

কেরানীগঞ্জে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থাপিত অস্থায়ী ঢাকার ৯ নম্বর বিশেষ জজ শেখ হাফিজুর রহমান আজ সোমবার এই নির্দেশ দেন।


খালেদা জিয়ার আইনজীবী জিয়া উদ্দিন জিয়া এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে বলেন, আজ এ মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ধার্য ছিল। কিন্তু খালেদা জিয়ার পক্ষে আইনজীবী শুনানি পেছানোর জন্য সময়ের আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে খালেদা জিয়াসহ ১১ আসামিকে ৮ ফেব্রুয়ারি আদালতে হাজিরের নির্দেশ দিয়েছেন।

নথি থেকে জানা গেছে, ২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর তেজগাঁও থানায় কানাডার কোম্পানি নাইকোর সঙ্গে অস্বচ্ছ চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্রের বিপুল আর্থিক ক্ষতিসাধন ও দুর্নীতির অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে দুদকের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম নাইকো মামলাটি করেন।

পরে ২০০৮ সালের ৫ মে এ মামলায় খালেদা জিয়াসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক এস এম সাহেদুর রহমান।

অভিযোগপত্রে প্রায় ১৩ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকার রাষ্ট্রীয় ক্ষতির অভিযোগ আনা হয়।

এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, সাবেক জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসেন, সাবেক মুখ্য সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব খন্দকার শহীদুল ইসলাম, সাবেক জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব সি এম ইউছুফ হোসাইন, বাপেক্সের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মীর ময়নুল হক, সাবেক সচিব মো. শফিউর রহমান, ব্যবসায়ী গিয়াসউদ্দিন আল মামুন, ঢাকা ক্লাবের সাবেক সভাপতি সেলিম ভূঁইয়া ও নাইকোর দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট কাশেম শরীফ।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ডাদেশ পান খালেদা জিয়া। আপিলের পর হাইকোর্টে তা বেড়ে ১০ বছর সাজা হয়। একই বছরের ২৯ অক্টোবর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেন। একই সঙ্গে তাঁকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো ছয় মাসের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। এরপরে খালেদা জিয়ার পক্ষে হাইকোর্টে জামিনের আবেদন করা হলে তা নাকচ করে দেওয়া হয়।

পরবর্তী সময়ে গত বছরের ২৪ মার্চ খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিত করে ছয় মাসের জন্য মুক্তির নির্দেশ দেন সরকার। সেই মেয়াদ শেষ হলে ফের গত বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর খালেদা জিয়ার দণ্ড ছয় মাসের জন্য স্থগিত করা হয়। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার সেই মেয়াদ শেষ হবে।

শনিবারের চিঠি / আটলান্টা/ ফেব্রুয়ারি ০২ ,২০২১

 

Facebook Comments Box

বাংলাদেশ সময়: ১:২০ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২১

https://thesaturdaynews.com |

Development by: webnewsdesign.com