শুধু খালেদা জিয়ার জন্য নয়, গণতন্ত্র মুক্তির দাবিতে আন্দোলন : ফখরুল

রবিবার, ১১ মার্চ ২০১৮

শুধু খালেদা জিয়ার জন্য নয়, গণতন্ত্র মুক্তির দাবিতে আন্দোলন : ফখরুল

ষ্টাফ রিপোর্টার, খুলনাঃ বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফকরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, শুধু দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার জন্য নয়, গণতন্ত্র মুক্তির দাবিতে এই আন্দোলন, দেশের মানুষের ভোটের অধিকার রক্ষার আন্দোলন, ভাতের অধিকার রক্ষার আন্দোলন। খালেদা জিয়া গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার জন্য সংসার, স্বামী, পুত্রকে বিসর্জন দিয়েছেন। তার মতো গণতন্ত্রের জন্য এমন ত্যাগ স্বীকার করতে আর কাউকে দেখা যায়নি। বাংলার মানুষের অধিকার রক্ষায় গৃহবধূ থেকে তিনি ৩ বারের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের অতন্ত্র প্রহরী।

বিএনপি’র খুলনা বিভাগীয় মহাসমাবেশে দলের মহাসচিব গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে খালেদা জিয়ার ৩৬ বছরের ত্যাগের কথা স্মরণ করে তাকে ‘মাদার অব ডেমোক্রেসি’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি বলেন, আমাদের মা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও গণতন্ত্র মুক্ত করতে ঐকবদ্ধ হয়ে অধিকার ছিনিয়ে আনতে হবে। সংসদ ভেঙে দিয়ে সহায়ক সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি জানান মির্জা ফকরুল ইসলাম আলমগীর।


গতকাল শনিবার বিকেলে খুলনা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে দলীয় প্রধান বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি আন্দোলনের তৃতীয় পর্যায়ের কর্মসূচির অংশ হিসেবে খুলনা বিভাগীয় জনসভায় প্রধান অতিথির ভাষণে এসব কথা বলেন।
আ’লীগ রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে রেখেছে অভিযোগ করে তিনি রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস বন্ধ এবং গণতন্ত্রকে মুক্ত করতে রাজনৈতিক শক্তির বৃহত্তর ঐক্যের আহবান জানান। তিনি বলেন, আ’লীগের রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস বন্ধ করতে দেশ প্রেমিকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার বিকল্প নেই। তিনি নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ধৈর্য্য হারা হওয়া যাবে না। দেশনেত্রী শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করতে বলেছেন। এ আন্দোলনের মাধ্যমে আমাদের মা ও গণতন্ত্রকে মুক্ত করতে হবে।

তিনি বলেন, একটি মিথ্যা মামলায় পরিকল্পিত রায় দিয়ে খালেদা জিয়াকে কারাবন্দী করা হয়েছে। এর একমাত্র উদ্দেশ্য তিনি যাতে নির্বাচনে অংশ নিতে না পারেন এবং ভোট চুরি করে আ’লীগ রাষ্ট্রীয় পুনরায় ক্ষমতায় যাওয়ার পথকে সুগম করা।

দলের মহাসচিব বলেন, গণতন্ত্রের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে এই মার্চ মাসে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন এবং যুদ্ধ করে বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলেন। আর আ’লীগ গণতন্ত্র এবং সকল গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে হত্যা করে স্বাধীনতার চেতনাকেই ভুলুন্ঠিত করছে।

বেগম জিয়ার কারাজীবনের বর্ণনা দিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, দীর্ঘ এক মাস একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে কারাগারের সকল সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। তাকে আইনী অধিকার থেকেও বঞ্চিত করা হয়েছে।

তারপরও তিনি মনোবল হারাননি। তিনি স্বৈরচারকে বিদায় দিতে সকল রাজনৈতিক শক্তির ঐক্যের জন্য কারাগার থেকে আহ্বান জানিয়েছেন। বেগম জিয়ার মুক্তির দাবির আন্দোলনে সারাদেশে এ পর্যন্ত ৫ হাজার কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হাজার হাজার নেতা-কর্মী স্বেচ্ছায় কারাবরণ করতে প্রস্তুতের প্রতিশ্র“তি এ আন্দোলনের অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে। তিনি পুলিশ বাহিনীর উদ্দেশ্যে বলেন, গণতন্ত্র ও জনগণের প্রতিপক্ষ হওয়া যুক্তিযুক্ত হবে না। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে আন্দোলনের পথে বাধা না হতে পুলিশ বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

আইন-শৃঙ্খলার বর্ণনা দিয়ে ফখরুল ইসলাম বলেন, গত ৯ বছরে বিএনপি’র অনেক কর্মীকে গুম ও খুনের শিকার হতে হয়েছে। গুলি করে অনেককে পঙ্গু করা হয়েছে। জনসমর্থনহীন সরকার গায়ের জোরে ক্ষমতায় টিকে আছে। নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে তাদের জামানত থাকবে না।

খুলনা-যশোর রোডের দুর্দশার বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, সড়ক ও পরিবহন মন্ত্রী মিডিয়ার সামনে উন্নয়নের জোয়ার এবং দিনকে রাত, রাতকে দিন বানান। তিনি দুঃখের সঙ্গে বলেন, যশোর রোডের দুর্ভোগ এড়াতে নড়াইল সড়ক দিয়ে খুলনায় এসে পৌঁছেছি।

চালের দাম প্রসঙ্গে ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, কেজিপ্রতি ১০ টাকায় বিক্রি চালের প্রতিশ্র“তি থাকলেও এখন তা ৬০-৭০ টাকায় কিনতে হচ্ছে। বিদ্যুতের মূল্য আট বার বৃদ্ধি, সারের মূল্য তিনগুণ ও গ্যাসের মূল্য বাড়িয়ে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করা হয়েছে। শেয়ার বাজার লুট ও ব্যাংকের সঞ্চিত অর্থ আওয়ামী লীগের মন্ত্রী-সংসদ সদস্যরা বিদেশে পাঠিয়েছে।

তিনি বলেন, আ’লীগ ২০১৪ সালের বিনাভোটে ১৫৪ জনকে নির্বাচিত করে সংসদকে কলুষিত, এ সংসদ জনগণের আশা-আকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটাতে পারেনি, সংসদে জবাবদিহিতা নেই, মন্ত্রীরা টাকা চুরি করলেও জিজ্ঞাসাবাদের সুযোগ নেই, জাতীয় পার্টিকে গৃহপালিত বিরোধীদলে বসিয়ে রেখে রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয় করা হচ্ছে।  সমাবেশে উপস্থিত নেতা-কর্মীসহ খুলনার জনগণকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বিএনপি’র খুলনা বিভাগীয় এ জনসভায় সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও নগর সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু। অতিথি ছিলেন জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান ও আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, এড. নিতাই রায় চৌধূরী ও সাবেক হুইপ মশিউর রহমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ মেহেদী রুমি, কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব মুজিবর রহমান সরোয়ার, প্রকাশনা সম্পাদক হাবিবুল ইসলাম হাবিব, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক সোহরাব হোসেন, কেন্দ্রীয় নেতা মাসুদ অরুণ, আমিরুজ্জামান খান শিমুল, অমলেন্দু দাস, কবির মুরাদ ও ড. ফরিদুল ইসলাম।

বাংলার মাটি থেকে বিএনপিকে নিশ্চিহ্ন করা যাবে না বলে উল্লেখ করে ড. মঈন খান বলেন, আ’লীগ বলে, বিএনপি আন্দোলন করতে পারে না। হ্যাঁ, বিএনপি লগি-বৈঠার আন্দোলন করতে পারে না। তবে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করতে পারে। আ’লীগ রাজনীতির জোরে নয়, প্রশাসনের জোরে রাজত্ব করছে।

পুলিশ ও প্রশাসনকে ব্যারাকে রেখে রাজপথে বিএনপিকে মোকাবেলা করার আহ্বান জানিয়ে ড. মঈন খান বলেন, তখন দেখা যাবে কে জেতে আর কে হারে। মিথ্যা মামলায়  খালেদা জিয়াকে জেলে রাখা হয়েছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, তাকে মুক্ত না করে আমরা ঘরে ফিরে যাবো না। তিনি বলেন, এ সরকার উন্নয়নের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করছে। উন্নয়নের নামে মানুষকে ধোঁকা দেয়া হচ্ছে।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, মিথ্যা দুুর্নীতির মামলায় খালেদা জিয়াকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অথচ আজকের প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ১৫ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির মামলা ছিল, যা ক্ষমতার জোরে প্রত্যাহার করা হয়েছে। দেশের সকল আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে সীমাহীন লুটপাট চলছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি বলেন, আ’লীগ নেতাদের চাঁদাবাজিতে অস্তির দোকানীরা। মার্কেটে চাঁদাবাজি। শ্রমিকরা মজুরি কমিশন পাচ্ছে না। পিয়নের চাকুরিতেও ঘুষ দিতে হচ্ছে। কোথায় গেলো শেয়ার বাজারের টাকা। এ দেশের মানুষ এসব হিসাব নেবে। তার অভিযোগ, এ সরকারের এক মন্ত্রীর ১৩ বছরের সাজা হয়েছে। তিনি এখনও মন্ত্রী আছেন, সংসদে যাচ্ছেন। আর দেশের জনপ্রিয়তম নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে বাইরে রেখে একটি এক তরফা নির্বাচনের পাঁয়তারা চলছে।  তিনি বলেন, নির্বাচন করতে চাই। জনগণ ভোট দিতে পারবে এমন নির্বাচনে যেতে চাই। পাতানো খেলার নির্বাচনে বিএনপি যেতে চায় না।

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আ’লীগ আজ আর নিজেদেরকে রাজনৈতিক দল হিসেবে পরিচয় দিতে পারে না। এটি একটি স্বৈরাচারী, সন্ত্রাসী, ফ্যাসিস্ট দলে পরিণত হয়েছে। রাষ্ট্রীয় খরচে শেখ হাসিনা সারা দেশে সমাবেশের নামে ভোট চেয়ে বেড়াচ্ছেন। অথচ খুলনায় খালেদা জিয়াকে ছাড়া আমরা একটি সমাবেশ করেত চেয়েছি, তাতেই সরকারের হৃদকম্প শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, শুনেছি, প্রধানমন্ত্রী আগমনে খুলনার দোকানপাট বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। মার্কেট বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। আর বিএনপি’র জনসভার জন্য শহিদ হাদিস পার্ক, সার্কিট হাউজ, মহারাজ চত্বরে যাওয়া যাবে না। হাদিস পার্কে ১৪৪ ধারাও জারী করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হয়েছে। আমরাতো শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করতে চেয়েছি।  জনগণের প্রতি বিএনপি’র আস্থা রয়েছে। দেশের জনগণকে নিয়েই বিএনপি আন্দোলন করছে। আর এ জন্যই ক্ষমতাসীনরা আতঙ্কিত।

28958521_1797394153646104_874232406893133824_nসমাবেশে খুলনা বিভাগীয় নেতাদের মধ্যে বক্তৃতা করেন খুলনা জেলা বিএনপি সভাপতি এড. এস এম শফিকুল আলম মনা, খুলনা সিটি মেয়র মনিরুজ্জামান মনি, বাগেরহাট জেলা সভাপতি আব্দুস সালাম, নড়াইল জেলা সভাপতি জাহাঙ্গীর বিশ্বাস, চুয়াডাঙ্গা সভাপতি অহেদুল ইসলাম বিশ্বাস, সাতক্ষীরা জেলা সাধারণ সম্পাদক তারিকুল হাসান, যশোর জেলা সাধারণ সম্পাদক এড. সাবেরুল ইসলাম সাবু, খুলনার ২০ দলীয় জোটের নেতাদের মধ্যে বক্তৃতা করেন নগর বিজেপি সভাপতি এড. লতিফুর রহমান লাবু ও নগর জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারী অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান।

খুলনা জেলা সাধারণ সম্পাদক আমীর এজাজ খান, নগর সাংগঠনিক সম্পাদক ফকরুল আলম ও প্রচার সম্পাদক আসাদুজ্জামান মুরাদের পরিচালনায় সমাবেশে আরও বক্তৃতা করেন নগরের সিনিয়র সহ-সভাপতি সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা, সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুল হাসান বাপ্পি, সহ-সভাপতি মনিরুজ্জামান মন্টু, ডুমুরিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান খান আলী মুনসুর, নগর মহিলা দল সভাপতি রেহানা আক্তার, নগর যুবদল সভাপতি মাহবুব হাসান পিয়ারু ও জেলা সাধারণ সম্পাদক ইবাদুল হক রুবায়েদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের নগর আহবায়ক আজিজুল হাসান দুলু, নগর ছাত্রদল সভাপতি শরিফুল ইসলাম বাবু ও জেলা সভাপতি আব্দুল মান্নান মিস্ত্রি। এ সময় মঞ্চে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কাজী সেকেন্দার আলী ডালিম, সৈয়দা নার্গিস আলী, শেখ মুজিবর রহমান, মতিয়ার রহমান ফরাজি, আবুল হোসেন আজাদ, কাজী আলাউদ্দিন, ডাঃ শহিদুল আলম, খান রবিউল ইসলাম রবি। এছাড়া খুলনা মহানগর ও জেলার সকল ওয়ার্ড, থানা, ইউনিয়ন এবং বিভাগের ১০ জেলার নেতা-কর্মীরা।

দলের নেতাদের অভিযোগ, বিভাগীয় জনসভা ঘিরে গতকাল শনিবার সকাল থেকে কড়া অবস্থান নেয় পুলিশ। নগরীর শহিদ হাদিস পার্ক, পুরাতন যশোর রোড, পিকচার প্যালেস মোড় ও কেডি ঘোষ রোডে বিএনপি’র কার্যালয়ের সামনে বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পাশাপাশি শহরের বিভিন্ন স্থানে পুলিশের সাঁজোয়া গাড়ি অবস্থান নেয়।

এর আগে পুলিশ দলীয় কার্যালয়ের সামনের কেডি ঘোষ রোডের পশ্চিম পাশে সমাবেশের অনুমতি দিলেও সকাল থেকে সেখানে মঞ্চ তৈরি ও মাইক টানাতে বাধা দেয়। তবে দুপুর ১২টার পর থেকে মঞ্চ তৈরি ও মাইক টানানো শুরু হয়। গত শুক্রবার রাত ও শনিবার সকালে বিএনপি’র ২৫ নেতা-কর্মীকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া অসংখ্য নেতা-কর্মীর বাড়ি বাড়ি রাতভর তল্লাশি চালায় পুলিশ। শুক্রবার শহিদ হাদিস পার্ক ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় জনসভার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি)। পুলিশের পক্ষ থেকে মাইকিং করে শনিবার সকাল ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত শহিদ হাদিস পার্ক ও আশেপাশের এলাকায় সব ধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়।

এরপরও শত বাধা বিপত্তি উপেক্ষা করে দুপুর থেকে খুলনা মহানগর, জেলা এবং বিভাগের বাকি ৯ জেলা থেকে বিএনপি নেতা-কর্মীদের মিছিল সমাবেশস্থলে পৌঁছালে জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

শনিবারের চিঠি / আটলান্টা / ১১ মার্চ, ২০১৮

Facebook Comments Box

বাংলাদেশ সময়: ১০:৫৮ পূর্বাহ্ণ | রবিবার, ১১ মার্চ ২০১৮

https://thesaturdaynews.com |

Development by: webnewsdesign.com