ধারাবাহিক উপন্যাস

রূপসার রূপসী / ১

প্রথম পর্ব

শনিবার, ২৩ মে ২০২০

রূপসার রূপসী / ১
অলংকরণঃ মামুন হোসাইন

ভূমিকাঃ

বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া এক জোড়া যুবক যুবতীর প্রেম ভালোবাসার কাহিনী “রূপসার রূপসী।” তাদের সেই প্রেম ভালোবাসার মাঝে ছোবল মারে সমাজের একজন উঁচুদরের সমাজপতি। অবশেষে সেই সমাজপতি আইনের কাছে হেরে গেলে বিজয় হয় ভালোবাসার । এমনি এক প্রেম ভালোবাসা ,আশা নিরাশার কল্পকাহিনী রূপসার রূপসী।


 

মতিহার। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় চত্ত্বর। সকাল থেকে সন্ধ্যে পর্যন্ত  বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্র ছাত্রীদের কোলাহলে মুখরিত এ Litearture 02চত্ত্বর । ডানাবিহীন একঝাঁক প্রজাপতি এদিক সেদিক ছুটে বেড়াচ্ছে। প্রজাপতি বললে এতটুকু অত্যুক্তি হবে মনে হয় না। কেননা   প্রজাপতি রঙের রঙ বেরঙ এর শালওয়ার কামিজ আর  ওড়না জড়িয়ে একদল তরুণী কোথাও নিরিবিলি বসে একটু আড্ডা জমাবার স্থান খুঁজে রেড়াচ্ছে। দূর থেকে কবির দৃষ্টিতে তাকালে পাখনাবিহীন প্রজাপতিই মনে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনের এ আমতলা সবার কাছে প্রিয়। ছুটি অথবা ক্লাশের ফাঁকে চুটিয়ে আড্ডা দেওয়ার এক দারুণ পরিবেশ। চারিদিকে রয়েছে দৃষ্টিনন্দন রঙ বেরঙের  ফুল ফলের গাছ। প্রতিটি গাছের গোড়ায় রয়েছে সিমেন্টের তৈরী আসন। যেখানে বসে বসে আড্ডা চলে সারাদিন।

বিউটি, মিনতি, কাকলী, শিউলী, ও লায়লা তারা সবাই  অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্রী। ভর্তি পরীক্ষার দিনেই পরিচয় হয় একে  অপরের। বিশ¡বিদ্যালয় জীবনের প্রথম ক্লাশটি  শেষে  আবারও মিলিত হয়েছে  এই আমতলায়। তারা সবাই বৃহত্তর খুলনার অধিবাসী । একই অঞ্চলের অধিবাসী হওয়ায়  তাদের আড্ডাটা জমেছেও বেশ।

তাদের পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিল মনোবিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আব্দুর রাজ্জাক । তাদের আলাপচারিতায় খুলনার আঞ্চলীকতার টান পেয়ে আরো একটু  মনোযোগী হয়ে ধরে নেয় এ প্রজাপতির দল নিশ্চয় খুলনাঞ্চলের। এবার তাদের আরো কাছে গিয়ে বলল, -‘ প্রিয় ভগিনীগণ, আমি আব্দুর রাজ্জাক রাজু আপনাদের গলগুঞ্জন শুনে মনে হচ্ছে আপনারা সবাই খুলনা অঞ্চলের  অধিবাসী। অনুমতি পেলে আপনাদের এ আনন্দঘন মুর্হুতে শরিক হতে চাই।

একজন অনভিপ্রেত আগ›তকের এমন আগ্রহের কথা শুনে ওদের গুঞ্জন থেমে গেল। বিউটি  তাদের মধ্যে নিমলাজী ও স্পষ্টভাষী সে বলে উঠল রাজ্জাক , “মানে নায়ক রাজ রাজ্জাক,  কি মতলব রাজ্জাক সাহেব ? আমাদের এখানে কেউ কবরী -শাবানা নেই । বেশী সুবিধা হবে না।”

-কবরী -শাবানা না থাকলে আপনারা তো আছেন। তাছাড়া কবরী ?  তিনি তো নায়িকা থেকে সড়ে দাঁড়িয়ে রাষ্ট্র পরিচালনায়  হাত দিয়েছেন। তিনি এখন এম পি, মেম্বার অব পার্লামেন্ট । যাকে বলে সংসদ সদস্য  প্রতুত্তরে রাজু বলল ।

-বিউটি আবার বলল, ‘ রাজ্জাক কবরী ভাবার সময় আমদের নেই। আমরা আছি অন্য এক ঝামেলায় । আপনি তো আগেই জেনেছেন  আমরা খুলনাঞ্চকের। আমদের মধ্যেও তেমনি একটা পরিকল্গনা কাজ করছিল। আমরা যখন সবাই খুলনার অধিবাসী তবে আজকে বৃহত্তর খুলনা ছাত্র কল্যাণ সমিতি নামে একটা সংগঠন করলে কেমন হয় ? প্রত্যেক অঞ্চল থেকে  দুইজন করে সভ্য নিয়ে একটা খসড়া রেজুলেশন আজকেই দাঁড় করাতে চেয়ে ছিলাম। আমি ও মিনতি বাগেরহাট , কাকলী ও শিউলী ‘সাতক্ষীরা,’ লায়লা সে একা পড়েছে ‘খুলনা ‘ থেকে। সে একা  হওয়ায় আমাদের রেজুলেশনটা হচ্ছে না। মনে হচ্ছে অংকুরেই আমাদের উদ্যোগটা ভেস্তে যাবে।

এ সময় রাজু হেসে বলল ‘ এই কথা, এ নিয়ে এত ভাবনা ? এটা কোন সমস্যা হলো ?  আমার বাড়ি খুলনার সোনাডাঙ্গা, আপনারা চাইলে এ সমিতিতে সদস্য হতে আমার কোন আপত্তি নেই।

– তাই ? কাকলী জিজ্ঞেস করল।

-ঠিক আছে , যেহেতু কোন পুরুষ সদস্য আমাদের সংগঠনে নেই। একজন পুরুষ সদস্য থাকলে ভাল বৈ মন্দ হয় না। বলল, বিউটি। তবে একটি সর্ত আছে ?

-কি সে সর্ত ? জিজ্ঞেস করল রাজু।

-প্রেম ট্রেম করা চলবে না।

বিউটির কথা শুনে সবাই খিলখিলিয়ে হেসে উঠল।

-ঠিক আছে । প্রেম ট্রেম করা চলবে না জবাব দিল রাজু।

আজকের মতো আমাদের  বৈঠক এখানে মুলতবী। যেহেতু প্রয়োজনীয় একজন সদস্য পাওয়া গেছে আগামিকাল ক্লাশ শেষে আমাদের সংগঠনের বৈঠক এখানে আবারও অনুষ্ঠিত হবে এবং  কালকে পরিষদের  দায়িত্ব ও পদবী বন্টন করা হবে। বলল বিউটি ।

-সমস্যার যখন সমাধান হলো তাহলে এবার পূর্বের প্রোগামে ফিরে  যাওয়া যাক। বলল কাকলী।

– কি প্রোগাম করছিলেন আপনারা ? জিজ্ঞেস করল রাজু’।

-কেউ জোঁক, কেউ ধাঁধা, কেউ ব্যক্তিগত স্মরণীয় ঘটনা  বলছিল । জবাব দিল বিউটি ।

-তাই ! এতো বেশ মজার আড্ডা।

শিউলী বলে উঠল, এবার তা হলে কিছু একটা উপস্থাপন করবেন আমাদের আড্ডার নতুন সদস্য নায়ক রাজ রাজ্জাক ওরফে রাজু ভাই।

আবারও হাসির ফোয়ারা ঝরে পড়ল মেয়েগুলোর  কন্ঠে ।

-একটু বেশী হয়ে গেল না, নায়ক রাজ রাজ্জাক ? বলল  রাজু। সে বলল, ঠিক আছে ; আমি একটা ধাঁধা বলি, ” ঘামাও মাথা জাহির কর এমন একটি নাম, ডাইনে পড় বামে পড়, দুই দিকে সমান।”

মিনতি বিরবিরিয়ে পড়ল, ” ডাইনে পড় বামে পড়, দুই দিকে সমান।” এটা আবার কেমন ধাঁধারে বাবা !

কেউই এ ধাঁধার জবাব না দিয়ে একে অপরের মুখ চাওয়া চাওয়ি করছিল ।

একটু চিন্তা করে বিউটি বলল, আমার মনে হয় কেউ পারছে না। আপনি বরং জবাবটা বলে দেন। সবাই জানুক।

রাজু জিজ্ঞেস করল, কেউ না ?

‘ না ‘ মিনতি বলল।

ঠিক আছে, কেউ যখন পারছে না। আমিই জবাবটা বলে দিচ্ছি।  তা হলো , ” রমাকান্ত কামার।”

“রমাকান্ত কামার।”,” দারুন তো। ডান বাম যে দিক দিয়ে পড় অর্থ একই। মিনতি বলল।

” রমাকান্ত কামার।” একটু ধীরে ধীরে বানান করল কাকলী । এবার সে উল্লাস দিয়ে বলে উঠল, ” ডাইনে পড় , বামে পড় দুই দিকে সমান।” রমাকান্ত কামার এ ধাঁধার জন্য তো আমাদের এতদূর খোঁজার দরকার কি ছিল ? এমন নাম তো আমাদের মধ্যেও আছে।

বিউটি প্রশ্ন করল কে ? কে সে ?

কেন ? আমাদের ” লায়লা। ” বলে সে উচ্চ ¯বরে হেসে উঠল। আগে পিছে, উল্টা সিদা ওর নামটা বানান করে দেখনা ওই রকমই অর্থ দাঁড়ায়।

বিউটি বলল, তাই তো ? লায়লা নামের বানানটা একটা একটা করে  সে পড়ল । ” লা -য়-লা।”  ডাইনে বামে একই।

তা শুনে লায়লার মুখটা একটু লজ্জা রাঙা হয়ে উঠল। মনে হলো এখনই এক অফুটন্ত গোলাপকলি ফুটে উঠল তার অবয়বে।

এবার ধাঁধা নয় , একটা কুইজ বলল রাজু, যেহেতু আমরা সবাই খুলনার অধিবাসী  আশা করি সবাই এর উত্তরটা পারবেন।

মিনতি বলল, আচ্ছা বলুন ।

রাজু বলতে শুরু করল, ” রূপসী কণ্যা সামনে দিয়া বাহির  হইয়া ফকির খানজাহানকে ভিক্ষা দিয়া কলেজ করিয়া বাগেরহাট পৌঁছিল।” বলুন তো ঐ রুটটি কোথায় ?

বিউটি মনে মনে উত্তর খুঁজতে চেষ্টা করল, ” রূপসী কণ্যা রূপসা দিয়া বাহির হইয়া ফকির খানজাহানকে ভিক্ষা দিয়া কলেজ করিয়া বাগেরহাট পৌঁছিল। নাহ্ তার এ জবাব জানা নাই।

সবাই যখন নিশ্চুপ তখন রাজু বলল, আমি একটু হিংস দিচ্ছি, ” এর প্রত্যেকটা শব্দের সাথে ঐ সব শব্দের বা এলাকার অর্থ লুকিয়ে আছে । যেমন ” রূপসী – রূপসা, কন্যা – কর্ণপুর, ইত্যাদি।”

কাকলী একবার চেষ্টা করল। সেও না পার দিল।

সবাই যখন অপারগ হলো তখন তাদের মধ্যের সবচেয়ে নম্রলাজু মিষ্টি মেয়ে লায়লা বলে উঠল ,” আমি রূসপার মেয়ে কেউ না পারলে আমি এ কুজের উত্তর দিতে পারব ।

সবাই তাকিয়ে পড়ল তার দিকে। একজন বলে উঠল, ” তাড়াতাড়ি বলে ফেল নইলে যে প্রেস্টিজের ব্যাপার!

” রুটটি হলো রূপসা টু বাগেরহাট।” অধুনালুপ্ত এই রেলরুটটি। গেল কয়েক বছর হলো এ রুটটি বন্ধ হয়ে গেছে, বলল লায়লা।

প্রতিটি শব্দের সাথে ¯স্টেশনগুলোর মিল তা কেমন ? জিজ্ঞেস করল মিনতি।

তাহলে শোন বলে লায়লা বলতে শুরু করল, ” রূপসী – রূপসা, কণ্যা- কর্ণপুর, সামনেদিয়া – সামন্তসেনা, দিয়া- বাহিরদিয়া, ফকির -ফকিরহাট অবশ্য এ  ¯স্টেশনের নাম মূলঘর। ফকিরহাট উপজেলা সদর তাই সবাই একে ফকিরহাট বলেই চিনে ।

তারপর ? উৎকর্ণে  মিনতির প্রশ্ন।

ওয়েট এ মিনিট গার্ল আই এ্যাম টেলিং ইউ,  লায়লা বলল।

সে আবার শুরু করল,” আমি কোথায় গিয়ে থেমেছিলাম ? ফকিরহাট । তারপর, খানজাহান – খানজাহানপুর, কলেজ- বাগেরহাট কলেজ, আর বাগেরহাট তো বাগেরহাট। সমস্ত শব্দগুলোকে  একত্র করলে বাক্যটি এমনই দাঁড়ায়,” রূপসী কণ্যা সামনেদিয়া বাহির হইয়া ফকির খানজাহানকে ভিক্ষা দিয়া কলেজ করিয়া বাগেরহাট পৌঁছিল।

বাহ্ চমৎকার, বলে চিৎকার করে উঠল কাকলী। বিজয়ের উল্লাসে সে লায়লাকে জড়িয়ে ধরল। রাজুর উদ্দেশ্যে বলল, ” কি হলো নায়ক রাজ মনে করেছিলেন আমাদের ঠকাবেন, আমরা পারব না ? ”

” আপনারা পারবেন না, একথা তো বলিনি। আমি তো আগেই বলেছি আশা করি সবাই এর উত্তরটা পারবেন। সে জবাব দিল।

ঠিক আছে, আজ  ওঠা যাক। বলল, বিউটি।

মিনতি  ও কাকলী মননুজান হলের একই রুমের বাসিন্দা। রাতে পড়ালেখা শেষে ঘুমাতে যাবার আগে মিনতি কাকলীকে জিজ্ঞেস করল,” কাকলী তোর ম্যাচ আছে ?

ম্যাচ ? এত রাতে ম্যাচ দিয়ে কি করবি ? সিগ্রেট খাবি নাকি ?

আরে না। সিগ্রেট খাব কেন? আজকাল বিদ্যুতের যেভাবে লোড শেডিং চলছে রাতে যদি বিদ্যুৎ চলে যায়। বিদ্যুৎ চলে গেলে হ্যারিকেনটা জ¦ালাতে হবে না?

ও সে কথা ! আমি তো ভাবছিলাম তুই আবার ওয়েস্টার্ন  মেয়েদের মত সিগ্রেট খাওয়া ধরলি নাকি ? মেরা পাস ম্যাচ হ্যায় , ফ্লাস লাইট বি হ্যায়। চিন্তা মাৎ করিয়ে নিন যাও।

কাকলীর হিন্দি জবাব শুনে মিনতি খিলখিলিয়ে হেসে উঠে বলল, তুই আবার হিন্দি শিখলি কবে ?

টিভিতে হিন্দি সিরিয়াল দেখে দেখে ।

মিনতি এ সময়ে  মুখে কিছু না বলে শুধু শব্দ করল, হুম ।

আমতলার ঐ ঘটনার পর থেকেই মিনতির মনে এক নির্লিপ্ত জিগিষা দানা বেঁধে ঘুরপাক খেয়ে চলছে। লায়লা ও রাজুর ব্যাপারে কৌতুহলী প্রশ্ন তাকে তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে। হঠাৎ উড়ে এসে জুড়ে বসে ছেলাটা যেন মিষ্টি মেয়ে  লায়লাকে জয় করে গেল। ভারী সুন্দর হা›ড সাম ছেলেটার ছায়ামূর্তি কেন যেন রূপসার নোনা জলের ঢেউয়ের মত তার হৃদয়েও দুলে দুলে ঢেউ খেলে যাচ্ছে। তার প্রসঙ্গে আলাপ করতে, জানতে ভাল লাগছে। তাই তো সে কাকলীকে জিজ্ঞেস করল ;

হ্য্যঁ®র কাকলী আমতলার ঐ আড্ডায় হলোটা কি ?

-কি ? পাল্টা প্রশ্ন কাকলীর ।

-রাজু ? রাজু নামের ঐ ছেলেটা কি লায়লার আগে থেকে চেনা ?

-কেন ?

-সে এসেই ধাঁধা বলল, লায়লাকে জড়িয়ে আর  সেও ধেই ধেই করে বলে উঠল, ” আমি রূপসার মেয়ে কেউ না পারলেও আমি পারি এর জবাব। ঘটনাটা কি ?

-আমার ঘটনা জানার দরকার কি ?

আমার মোবাইলে ফ্লাক্সি নেই । তোরটা একটু দিবি ?

-কেন কাউকে ফোন করবি ?  এত রাতে ?

-” রূপসার রূপসীকে ” একটা ফোন করে  দেখতাম সে এখন কি করছে ?

-” রূপসার রূপসী ” সে আবার কে ?

-কেন ? তুই চিনলি না আমাদের লায়লা । রাজু যখন কুইজটা বলছিল সেই তো বলে উঠল, আমি রূপসার মেয়ে আর উত্তরটাও চটপট বলে দিল। রূপসার মেয়ে নয়, আজ থেকে ওর নাম দিলাম ”  রূপসার রূপসী। ”

-সে তুই যাই বলিস, আমরা মেয়েরা একটা ধাঁধারও জবাব না দিতে পারলে রাজুর কাছে আমাদের হেরে যেতে হতো। ভার্সিটি জীবনের প্রথম দিনে এমন একটা ঘটনা হলে কেমন হতো , বলত ?

-যাহ্ ! এটা একটা ঘটনা হলো ?

-তবুও।

-রাত অনেক হয়েছে। লায়লা  হয়ত ঘুমিয়ে পড়েছে । তাছাড়া, এতরাতে রুমে ফোন  রিং বাজলে তার রুম মেটরা বিরক্ত হবে না ?  এখন ঘুমিয়ে পড়। পরের ঘটনা মাথায় ঢুকাস নাতো। বলতে বলতে নিজের টেবিলের টেবিল বাতির সুইচটা অফ করে দিল কাকলী।

-আচ্ছা ঠিক আছে, বলে মিনতিও তার টেবিল বাতির সুইচটা অফ করে দিয়ে বলল, শুভ রাত্রি।

প্রত্যুত্তরে কাকলীও বলল­, শুভ রাত্রি ।

চলবে …।

শনিবারের চিঠি / আটলান্টা/ মে ২৩, ২০২০

লেখকের অন্যান্য বই অনলাইনে কিনতে এখানে ক্লিক করুনঃ রকমারি ডট কম

 

পরবর্তি  পর্বের জন্য চোখ রাখুন শনিবারের চিঠির সাহিত্য পাতায়

 

Facebook Comments Box

বাংলাদেশ সময়: ৬:০২ অপরাহ্ণ | শনিবার, ২৩ মে ২০২০

https://thesaturdaynews.com |

Development by: webnewsdesign.com