ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সংযোগই প্রাধান্য পেলো মোদীর সফরে

সোমবার, ০৮ জুন ২০১৫

ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সংযোগই প্রাধান্য পেলো মোদীর সফরে

 

untitledশনিবার রিপোর্টঃ ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দুদিনের সফরে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় পৌঁছানোর পর দুদেশের মধ্যে বহু প্রতীক্ষিত এক ঐতিহাসিক স্থল সীমান্ত চুক্তির চূড়ান্ত আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়েছে। ঢাকায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উপস্থিতিতে দুই দেশের কর্মকর্তারা স্থল সীমান্ত চুক্তি বিনিময় করেন।


সড়ক ও রেলযোগাযোগ, বন্দর ব্যবহার থেকে শুরু করে আরও নানা বিষয়ে দুই দেশের মধ্য আরও প্রায় দেড় ডজন সহযোগিতা সই হয়েছে।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব সহযোগিতার বিস্তারিত তুলে ধরে বলেন, সীমান্ত শান্তিপূর্ণ রাখা এবং এবিষয়ে পারষ্পরিক সহযোগিতা বজায় রাখার বিষয়ে আমরা আমাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যাক্ত করেছি।

তিনি বলেন, সন্ত্রাসবাদ বা চরমপন্থার বিরুদ্ধে তারা জিরো টলারেন্সের ব্যাপারে একমত হয়েছেন।

অন্যদিকে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও বাংলাদেশের সহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন।

তিনি বলেন, সড়ক, রেল, সমুদ্রপথ এবং টেলিযোগাযোগের মাধ্যম দুদেশের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানো হবে।

এই সফরে গুরুত্ব পেয়েছে কানেক্টিভিটি বা সংযোগ।

যে ১৯ টি চুক্তি এবং সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে তার অধিকাংশই ছিল সংযোগ এবং বাণিজ্য সংক্রান্ত।

স্বাক্ষর হয়েছে উপকূলীয় নৌ চলাচল চুক্তি এবং অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল প্রটোকল। এ দুটি চুক্তির ফলে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম এবং মংলা বন্দর ব্যবহার করে ভারতে পণ্য পরিবহনের পথ সুগম হবে এবং বাংলাদেশী সমুদ্রবন্দরের সাথে সংযোগ স্থাপিত হচ্ছে ভারতীয় কয়েকটি বন্দরের।

মোদী ক্ষমতা-গ্রহণের পর থেকে প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর সাথে সহযোগিতা বৃদ্ধির যে নীতির কথা বলেছেন, চুক্তি স্বাক্ষরের পর দেয়া যৌথ বক্তব্যেও তিনি সেই বিষয়টিই তুলে ধরেন।

এসব চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল এবং ভুটানের মধ্যে আঞ্চলিক সংযোগ আরো গভীর হবে বলে মন্তব্য করেন মি. মোদী।

তবে চুক্তি স্বাক্ষরের আগে দুই প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে স্থল-সীমান্ত চুক্তির অনুসমর্থনের দলিল হস্তান্তর করেন দুই দেশের পররাষ্ট্র সচিব।

ছিটমহল সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধান হওয়ায় ভারতের জনগণ এবং সকল রাজনৈতিক দলকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তার বক্তব্যেও প্রাধান্য পেয়েছে সংযোগ এবং বাণিজ্য।

তিনি জানান, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর বিষয়ে তারা উদ্যোগ নিচ্ছেন।

যদিও নরন্দ্র মোদী বাংলাদেশে আসার আগেই জানা গিয়েছিল যে, এই সফরে তিস্তার পানি বন্টন চুক্তি হচ্ছে না, তবে অভিন্ন নদীর পানিবন্টন নিয়ে তাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে বলে জানান শেখ হাসিনা। সুত্রঃ বিবিসি

শনিবারের চিঠি/ আটলান্টা / জুন ৮ ২০১৫

 

 

Facebook Comments Box

বাংলাদেশ সময়: ৫:৫০ অপরাহ্ণ | সোমবার, ০৮ জুন ২০১৫

https://thesaturdaynews.com |

Development by: webnewsdesign.com