বাগেরহাটে নির্মিত হলো কোরআনের রেহালের নান্দনিক ভাস্কর্য

শুক্রবার, ২৬ নভেম্বর ২০২১

বাগেরহাটে নির্মিত হলো কোরআনের রেহালের নান্দনিক ভাস্কর্য
যাত্রাপুর ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে  কোরআনের  নান্দনিক রেহাল [ ছবিঃ সংগৃহীত ]

বাগেরহাটে যাত্রাপুর ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে নির্মিত নান্দনিক স্থ্যাপতি শৈলী। এটি পবিত্র কোরআন শরীফের রেহাল সাদৃশ্য ভাস্কর্য। আকর্ষণীয় ও ব্যতিক্রমী রেহাল ভাস্কর্যটি নির্মাণ করেন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ মতিন। বাংলাদেশের  ইতিহাসে সম্ভবত এটিই  পবিত্র কোরআনের  রেহালের প্রথম ভাস্কর্য ।

পড়ে থাকা একটি অর্ধ শতবর্ষী রেইনট্রি গাছ বজ্রপাতে জীবন হারায়। সেটি না কেটে এটাকে কাজে লাগাতে সৃজনশীল উদ্যোগ নেন তিনি। ২০২০ সালে নির্মাণ কাজ শুরু হয়।খুলনা ও বরিশালের পাঁচজন কাঠের কারিগর ৯ মাসের চেষ্টায় তৈরি করেন ১৫ ফুট উচ্চতার আকর্ষণীয় রেহালটি। রেহালে লেখা রয়েছে দুটি আয়াত, কালিমায়ে তাইয়্যেবা এবং কালিমায়ে শাহাদাত।রাতের আধারে সুসজ্জিত আলোকসজ্জায় শোভা পায় রেহাল ভাস্কর্যটি। এটি নির্মাণে ব্যয় হয় প্রায় সাত লাখ টাকা।প্রতিদিন দূরদূরান্ত থেকে মুসল্লিরা দর্শনার্থীরা রেহালের সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসে।


এছাড়াও ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে রয়েছে তিন তলা বিশিষ্ট দৃষ্টি নন্দন জামে মসজিদ,ইউনিয়ন পরিষদের মানচিত্র,কমিউনিটি সেন্টার,নারী উন্নয়ন কেন্দ্র, গাছ দিয়ে তৈরী বিভিন্ন প্রতিকৃতি, নার্সারী,শিশুদের জন্য পার্ক ইত্যাদি।

যাত্রাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ মতিন বলেন,আমি যাত্রাপুর ইউনিয়নকে একটা মডেল ইউনিয়ন হিসেবে কিভাবে রূপ দেওয়া যায় সেই চেষ্টা করেছি প্রতিনিয়ত। সৌদি আরবে মক্কার সামনে আছে কোরানের রেহাল সম্বলিত গেট। সেই ভাবে এই গাছটাকে আমরা ভাস্কর্য তৈরি করার চেষ্টা করি।

 

 

 

Facebook Comments Box

বাংলাদেশ সময়: ৭:২৪ পূর্বাহ্ণ | শুক্রবার, ২৬ নভেম্বর ২০২১

https://thesaturdaynews.com |

Development by: webnewsdesign.com