পীরিতে মজিলে মন , কিবা হাড়ি কিবা ডোম

বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০১৫

পীরিতে মজিলে মন , কিবা হাড়ি কিবা ডোম

বাংলাপ্রেস , নিউ ইয়র্কঃ  পীরিতে মজিলে মন, কিবা হাড়ি কিবা ডোম। হ্যাঁ ঠিক তেমনই বলা যায় অ্যান্টন ক্র্যাফ্ট ও চায়না বেলের বেলায় । ৫২ বছর বয়সী ৪ ফুট ৪ ইঞ্চির খর্বকায়  বামন অ্যান্টন ক্র্যাফ্ট এক দীর্ঘাদেহীর মেয়ের  প্রেমে পড়েছেন। তাঁর প্রেমিকার নাম চায়না বেল । বয়স ৪৩ বছর ।একেবারে ৬ ফুট ৩ ইঞ্চি লম্বা, অর্থাৎ, তাঁর থেকে প্রায় ২ ফুট বেশি। জানা গেছে, চায়না বেল রূপান্তরকামী। পুরুষ হয়ে জন্মালেও লিঙ্গ পরিবর্তন করে নারী হয়েছেন তিনি।

ক্র্যাফ্ট একজন পরিচিত ভারোত্তলক। গত  ১০ বছর ধরে তিনি এই কাজের সঙ্গে যুক্ত। তাঁর দাবি, তিনিই পৃথিবীর সব থেকে শক্তিশালী ব্যক্তি। ৬ মাস আগে তাঁর সঙ্গে আলাপ হয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা নিবাসী ওই নারীর। জানা গেছে, তখন থেকেই প্রণয় শুরু। চায়নাও নিজে ক্র্যাফ্টের একজন বড় ভক্ত। তিনি জানিয়েছেন, ক্র্যাফ্টের ভারোত্তলন পদ্ধতিখুবই আকর্ষণীয়। কারণ, তিনি নিজেও একজন আকর্ষণীয় পুরুষ। ক্র্যাফ্টের প্রসঙ্গে চায়না যোগ করেন, যখন আপনি বিশ্ব হেভিওয়েট চ্যাম্পিয়ন জিতেছেন, তখন নিশ্চয় আপনার মধ্যে কিছু তো আছে। চায়না জানিয়েছেন, এর আগে কখনও তিনি এত কম উচ্চতার কোনও পুরুষের সঙ্গে ডেট করেননি। সেই কারণেই প্রথমে এ ব্যাপারে খুবই আগ্রহী ছিলেন তিনি। তিনি জানিয়েছেন, ক্র্যাফ্ট একজন চমৎকার ব্যক্তিত্ব। তাঁকে পেয়ে খুবই তিনি খুশি।


ক্র্যাফ্টও ডেটিংয়ের দিক দিয়ে কম যান না। তিনি জানিয়েছেন, এর আগেও তিনি কেবল তাঁর থেকে অন্তত এক ফুট লম্বা মেয়েদের সঙ্গেই ডেট করেছেন। তবে, রূপান্তরকামী চায়নার সঙ্গে ডেটিংয়ে খুবই খুশি ক্র্যাফ্ট। তাঁর মতে, চায়না যেহেতু পুরুষ থেকে নারীতে রূপান্তরিত হয়েছেন, তাই তাঁর মধ্যে নারী হয় ওঠার প্রবণতাও খুব বেশি। সেই কারণেই চায়নাকে বিশেষ পছন্দ হয়েছে তাঁর। তিনি হাঁটু মুড়ে বসে চায়নার পানিপ্রার্থী হতেও প্রস্তুত। কারণ, তিনি চান, তাঁর পদবী চায়নার নামের শেষে বসুক।

চায়না ও ক্র্যাফ্ট দুজনেই বিপরীত ধারার মানুষ। তাই তাঁরা একে অপরের প্রতি আকর্ষণ অনুভব করবেন, এ তো বলাই বাহুল্য।

 

শনিবারের চিঠি / আটলান্টা / ০২ এপ্রিল ২০১৫

 

Facebook Comments Box

বাংলাদেশ সময়: ৯:১৭ পূর্বাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০১৫

https://thesaturdaynews.com |

Development by: webnewsdesign.com