পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের নাটকীয় জয়

শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০১৫

পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের নাটকীয় জয়

 

 


ক্রীড়া প্রতিবেদকঃ শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানের বিপক্ষে ১ উইকেটে তুলে নিল নাসির হোসেনের নেতৃত্বাধীন বিসিবি একাদশ। হাতে ছিল ৭ বল।  পাকিস্তানের করা ২৬৮ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে দুই ওপেনারের ব্যার্থতার পর মিডল

অর্ডারে সাব্বির রহমানের অসাধারণ সেঞ্চুরির পর যখন নিশ্চিত জয়ের পথে বিসিবি একাদশ, তখন হঠাৎই পাকিস্তানি পেসারদের আক্রমণ। একের পর এক উইকেট হারিয়ে বেসামাল হয়ে পড়ে বিসিবি একাদশ। সাব্বির ৯৯ বলে ১২৬ রান করেন।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি বিসিবি একাদশের। কোনো রান না করেই ফিরে যান ওয়ানডে অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা রনি তালুকদার। ভালো করতে পারেননি উদ্বোধনী জুটিতে তার সঙ্গী তামিম ইকবালও। এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়ার আগে মাত্র ৯ রান করেন তিনি।

ষষ্ঠ ওভারে ৯ রানে দুই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যানকে হারানো বিসিবি একাদশ প্রাথমিক প্রতিরোধ গড়ে সাব্বির ও লিটন দাসের ব্যাটে। ২৭ বলে ২২ রান করে লিটনের বিদায়ে বড় একটা ধাক্কা খায় স্বাগতিকরা।
 
নাসিরের অনুপস্থিতিতে বিসিবি একাদশকে নেতৃত্ব দেন মুমিনুল হক। রনি
, তামিমের মতো প্রথম দুই ওয়ানডের জন্য ঘোষিত দলে থাকা মুমিনুলও ভালো করতে পারেননি। ১২ রান করে লেগস্পিনার ইয়াসির শাহর বলে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়েন তিনি।
 
৮১ রানে চার উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া বিসিবি একাদশকে কক্ষপথে ফেরানোর কৃতিত্ব সাব্বির রহমান ও ইমরুল কায়েসের। ১৯ ওভারে ১২৪ রানের চমৎকার জুটি গড়েন তারা। ইমরুলকে (৩৬) বোল্ড করে বিপজ্জনক হয়ে ওঠা জুটি ভাঙেন ওয়াহাব রিয়াজ।

কিন্তু নবম উইকেট জুটিতে মোহাম্মদ শহিদকে সঙ্গে নিয়ে সোহাগ গাজী ৩১ রানের জুটি গড়লে জয়ের দ্বার আবারও উম্মোচন হয়ে যায়। কিন্তু ৪৭তম ওভারের ৫ম বলে জুনায়েদ খানের বলে সোহাগ গাজী বোল্ড হয়ে গেলে আবারও তৈরী হয় অনিশ্চয়তার দোলাচল। শেষ পর্যন্ত মোহাম্মদ শহিদ আর তাইজুল ইসলাম বিসিবি একাদশকে পৌঁছে দেন জয়ের বন্দরে।

এর আগে, টসে জিতে পাকিস্তান নির্ধারিত ওভারে ৯ উইকেট হারায়। ওপেনার মোহাম্মদ হাফিজের ৮৫ রানের সৌজন্যে ২৬৮ রান স্কোরবোর্ডে তুলতে সক্ষম হয় অতিথিরা। প্রথম উইকেটে হাফিজ ও আজহার আলী ২ জন মিলে ৬৬ রানের জুটি গড়েন। দ্বিতীয় উইকেটে হাফিজ আরও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেন। হারিস সোহেলকে সঙ্গে নিয়ে ১০৪ রানের জুটি গড়েন এই ওপেনার।


অবশ্য প্রস্তুতি ম্যাচে ১৫ রানের জন্য সেঞ্চুরি বঞ্চিত হন মোহাম্মদ হাফিজ। তিনি ৭৯ বলে ১১ চার ও ৬ ছয়ে ৮৫ রান করে শুভাগত হোমের বলে মুক্তার আলীকে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন। পাকিস্তানের অন্য ব্যাটসম্যানদের মধ্যে ফাওয়াদ আলম অপরাজিত ছিলেন ৬৩ রানে। এছাড়া আজহার আলী ২৭ ও হারিস সোহেল ২৩ রান করেন। শেষ দিকে ফাওয়াদ আলমের বিধ্বংসী এই ইনিংসের ফলেই বড় স্কোর পায় পাকিস্তান।

বিসিবি একাদশের বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট নেন শুভাগত হোম। এছাড়া মোহাম্মদ শহীদ, মুক্তার আলী, জুবায়ের হোসেন, শুভাগত হোম, তাইজুল ইসলাম ও সোহাগ গাজী প্রত্যেকে একটি করে উইকেট নেন।

 

শনিবারের চিঠি / আটলান্টা / ১৭ এপ্রিল ২০১৫

 

 

 

 

Facebook Comments Box

বাংলাদেশ সময়: ১০:০১ পূর্বাহ্ণ | শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০১৫

https://thesaturdaynews.com |

Development by: webnewsdesign.com