ডাকসু সহ-সভাপতি (ভিপি)

নুরুর উপর ফের হামলা চালাল ছাত্রলীগ-মুক্তিযুদ্ধ

সোমবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০১৯

নুরুর উপর ফের হামলা চালাল ছাত্রলীগ-মুক্তিযুদ্ধ
আহত নুরুল হক নুর

ডাকসু সহ-সভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুরুর ওপর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ ও মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের একাংশের নেতা–কর্মীরা আবারও হামলা করেছেন। ডাকসু ভবনের নিজ কক্ষে আজ রবিবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে নুরুর ওপর এই হামলা হয়। এ সময় আহত হয়েছেন নুরুর সঙ্গে থাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও কয়েকটি কলেজের কয়েকজন ছাত্র।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর এ কে এম গোলাম রব্বানী নুরুসহ আহত ছাত্রদের ঘটনার প্রায় ৪৫ মিনিট পর ডাকসু ভবন থেকে উদ্ধার করে সবাইকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করেন।


আহত অন্যরা হলেন কবি নজরুল কলেজের ছাত্র রুকমিয়া হোসেন রাজ, গোলাম কিবরিয়া, জাহিদুল ইসলাম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আরিফুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মশিউর রহমান। এছাড়া আমিনুর নামে আরও একজন আহত হয়েছেন, যিনি নিজেকে নুরুর ছোট ভাই বলে দাবি করেছেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ডাকসুর ভিপি নুরুল হক। পাশে তাঁর বাবা।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ডাকসুর ভিপি নুরুল হক। পাশে তাঁর বাবা।

জানা যায়, দুপুরে নুর কয়েকজনসহ ডাকসু ভবনে ঢুকেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ ও মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নেতাকর্মীরা এসে হাজির হন। এতে বাক্য বিনিময় হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এতে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন একপর্যায়ে বাইরে থাকা নিজ সংগঠনের ও মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের কর্মীদের সেখান থেকে সরে যেতে বলেন। কোনো ধরনের হামলা মারামারি করতে নিষেধ করেন। তখন পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসেন।

ছাত্রলীগের সাদ্দাম হোসেন নিজেও ডাকসুর এজিএস। তাই তিনি গেটের সামনে এলে গেট খুলে দেন ডাকসুর কর্মীরা। তখন সাদ্দাম, সনজীতের এবং মঞ্চের কর্মীরা ভেতরে প্রবেশ করলে তাঁরা সরাসরি নুরুর কক্ষে ঢোকেন।

বহিরাগত নিয়ে নুরু কেন ডাকসুতে এসেছেন তা জানতে চান সাদ্দাম হো্সাইন। তখন নুরু বলেন, তিনি সব সময় হামলার আশঙ্কার মধ্যে থাকেন। এ কারণে নিজের নিরাপত্তার জন্য অনেককে সঙ্গে রাখেন। একপর্যায়ে নুরু সনজীতকে বলেন, ‘আপনি তো ডাকসুর কেউ না। আপনি কেন এখানে এসেছেন।’ সনজীত তখন বলেন, ‘আমি কে, তা কিছুক্ষণ পরেই বুঝবি।’

কথোপকথনের মধ্যেই নুরুলের সঙ্গে থাকা কয়েকজনকে মারধর করেন ছাত্রলীগের দুই নেতার সঙ্গে আসা ব্যক্তিরা। এরপর এই দুই নেতা সেখান থেকে চলে যাওয়ার কয়েক মিনিট পর হামলা শুরু হয় নুরু ও অন্যদের ওপর। একপর্যায়ে নুরু ও তাঁর সঙ্গীরা আত্মরক্ষার জন্য  ভেতর থেকে দরজার ছিটকিনি বন্ধ করে সেখানেই অবস্থান করেন। পরে প্রক্টর, সহকারী প্রক্টর এসে তাঁদের উদ্ধার করে সেখান থেকে হাসপাতালে নিয়ে যান।

শনিবারের চিঠি / আটলান্টা / ডিসেম্বর ২৩,২০১৯

Facebook Comments Box

বাংলাদেশ সময়: ৯:৩৪ অপরাহ্ণ | সোমবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০১৯

https://thesaturdaynews.com |

Development by: webnewsdesign.com