দুঃস্বপ্ন

সোমবার, ০২ মার্চ ২০১৫

 

 


 Litearture 01মধ্য রাতে টিভিটা অন করলাম, সিটি মেয়র live conference করছেন। এখন থেকে শহরে ভয়াবহ তুষার পাত শুরু হবে। সিটি বাসীদের আগামী দুইদিনবাড়িতে থাকার জন্য তিনি আহব্বান জানিয়েছেন। বিশেষ অনুরধ কেহ যেন গাড়ি নিয়ে বের না হন। তুষারপাত এমনই ভয়নক হবে যে তা গত ১০০ বছরের রেকর্ডভঙ্গ করতে পারে এমন কি ধারণার বাইরেও হতে পারে। মনটা খুবই খারাপ হয়ে গেল।দুইদিন কাজ কর্ম বন্ধ মানে দুইদিনের আয় নেই।গ্যাস বিদ্যুৎ টেলিফোন পানির বিল যে হারে বাড়ছে তাতে টিকে থাকা দুষ্কর। বাইরে শোঁ শোঁ করে বাতাস, ঘরের দরজা জানালা পরীক্ষা করে বন্ধ করে দিলাম।দেখলাম বাইরে তুষারপাত শুরু হয়ে গেছে। আবারও টিভির পর্দায় চোখ দিয়েছি  মাত্র। কে যেন কলিং বেল টিপা শুরু করল। একটানা দ্রুত গতিতে বেল টিপিয়ে যাচ্ছে। থাম বাবা দরজা খুলছি।তুষারপাতের মাঝে এত রাতে আবার কে এল? আমার বড় মেয়ে স্কুল থেকে আসার পরই এভাবে বেল বাজাতেই থাকে। Home, Sweet home  স্কুল থেকে আসার পর বাড়িতে পৌঁছানোর আনন্দে সে এভাবে বেল বাজাতেই থাকে। আমার কি মতিভ্রম হল , সে এত রাতে স্কুল থেকে আসবে কেন? সে তার রুমে ঘুমাচ্ছে।

দাঁড়া বাবা দরজা খুলছি। দরজা খোলা মাত্রই একটি ফুটফুটে যুবতী মেয়ে আমাকে ধাক্কা দিয়ে ঘরে ঠুকে গেল। দরজা বন্ধ করে দিন। আমার খুবই বিপদ, আলো বাতি বন্ধ করে দিন। তাড়াতাড়ি করুন , পুলিশ আমার পিছু নিয়েছে। আমাকে আশ্রয় দিয়েছেন বলে আপনারও বিপদ হতে পারে। অন্যের বিপদে যতটা বিচলিত হই না কেন নিজের বিপদের কথা শূনে সত্যিই বিচলিত হয়ে পড়লাম।তাড়াতাড়ি সব আলো বাতি নিভিয়ে দিলাম। এমন কি অন্ধকারে জানালার পর্দাগুলো পরীক্ষা করে দেখার বাসনা জাগছিল। মেয়েটা কে কোথা থেকে এসেছে জানার আগ্রহ থাকলেও জিজ্ঞাসা করা হল না। অন্ধকারে সে সোফায় বসেই বলা সুরু করল , ওর না হটাত করে কবি হওয়ার বাসনা জাগল।

 তুমি তুষার পাতের ভিতর এসেছ, তোমার কাপড় চোপড় ভিজে গেসে ওগুলো পালটাবে না?

ও নিয়ে আপনাকে ভাবতে হবে না। আস্তে আস্তে কথা বলুন , বাইরে থেকে ওরা শূনতে পাবে।ও বলছিলাম কি শোনেন ওর না কবি হওয়ার শখ জাগল এবং কবিতা লেখাশুরু করল  হ্যাঁ হ্যাঁ হ্যাঁ ……………

তুমি ও রকম হ্যাঁ হ্যাঁ করে হাসছ কেন?

ওর একটা কবিতার লাইন শুনুন, কবিতার সাথে আমার সঙ্গম হয়, হ্যাঁ হ্যাঁ হ্যাঁ শুনেছি পুরুষে পুরুষে সঙ্গম নারীতে নারীতে সঙ্গম, আফ্রিকাতে জীব জন্তুর সাথে সঙ্গম হয় তাই বলে কবিতার সাথে সঙ্গম এই প্রথম শুনলাম হ্যাঁ হ্যাঁ হ্যাঁ ।

 তুমিত বড় বেয়াদপ মেয়ে, আমি তোমার বাবার বয়সী।আমার সাথে আদপের সহিত কথা বল।

  সে ছিল বংশীয় ছেলে, সৈয়দ বংশের ছেলে। ওর দাদা নাম করা সৈয়দ এবং ধার্মিক ছিল। দাদা ওকে আলেম বানাতে চেয়েছিল। দাদারই ইচ্ছায় ওকে মাদ্রাসায় ভর্তি করান হয়।ও ওখানে ফাজেল পর্যন্ত পড়াশুনা করেছে। ফাজেল পরীক্ষা দিয়ে ও ফাজিল হয়েছিল তা না হলে কেহ অমন কবিতা লেখে। ফাজেল পাশ করার পর ও আর পড়াশুনা করল না।পায়জামা পাঞ্জামি ওর ভাল লাগে না, ও চায় প্যান্ট শার্ট পরতে। ২০ বছরের যুবক ছেলেকে হাফ প্যান্ট শার্ট পরে গ্রামে ঘুরতে দেখা গেল।পড়াশুনা না করে বখাটের মত গ্রামে ঘুরে বেড়ালে বড়ই বেমানান লাগে। বাবা অনেকটাই বাধ্য হয়ে ওকে কলেজে ভর্তি করে দিলেন। ছাত্র খুব একটা খারাপ ছিল না। আই এ, বি এ এমনকি ইতিহাসে এম এ পাশকরে গেল। এর পর বেকার আর বেকার ছেলের কি কাজ, কবিতা লেখার শুরু। কবিতা কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয় না।পত্রিকায় প্রকাশিত ণা হলে কী হবে ফেশবূক তো আছে , ফেশবূকে লিখতে পয়সা লাগে না। ফেসবুকে লিখে আমাকে ট্যাগ  করত। তার  কবিতা অন্যের কেমন লাগত জানি না তবে আমার কিন্তু খারাপ লাগত না। আমি তার কবিতার প্রেমে পড়ে গেলাম। এদিকে আমার বয়স বাড়িয়া চলিতেছে বাবা মার দুশ্চিন্তার শেষ নাই তাঁহারা পাত্রের সন্ধান করিতেছে।

লজ্জা শরমের মাথা খাইয়া তাহাকে একদিন বলিলাম, অনেক দিন তো হল এম এ পাশ করিয়াছ এখন আমাকে বিয়ে করে ঘর সংসার শুরু কর।সে নিরবিকারভাবে বলিল বিয়ে করিব কিভাবে? যেখানে নিজের পেট চালাতে হিমশিম সেখানে বিয়ের ভূত বাড়িতে প্রবেশ করে না।

তুমি কি আমাকে ভালবাস না?

হ্যাঁ বাসি এবং অসম্ভব রকমের ভালবাসি। চাকুরী বাকুরি একটা পেলেই তোমাকে বলিতে হবে না আমি নিজ গরজেই তোমার বাবা মার কাছে প্রস্তাব পাঠাব।

এম এ তো অনেক দিন পাস করিয়াছ চাকুরী বাকুরি একটা যোগাড় করিতে পারছ না কেন?

দেশে সব কিছু যোগাড় করা য়ায় কিন্তু চাকরী যোগাড় করা য়ায় না। ঘুষ ছাড়া চাকরী নাই, ঘুষ দেওয়ার মত সামর্থ্য আমার নাই।

শুনিয়াছি তুমি সাংবাদিক , সাংবাদিকরা কি ঘর সংসার করে না। তুমিও অন্যদের মত সাংবাদিকতা করিয়া সংসার চালাতে পারবে।

আমি অবৈতনিক সাংবাদিক, পত্রিকার সম্পাদককে বলিয়া কোন রকমের একটা সাংবাদিকের আই ডি বের করেছি। ওটা গলায় দিয়া ফুটানি মারিয়া কোন রকমে রাজধানী শহরে চলি। সাংবাদিকতার বেশ ধরিয়া নানান ধান্ধানি করিয়া কোন রকমে নিজ অন্নের যোগাড় করিতেছি। একটু ধৈর্য ধর সহসাই একটা কিছু হবেই।

একদিন তাহাকে ফোন করিতেছি তো করিতেছিই সহসা ফোন ধরে না। খুবই রাগ হতে ছিল। অবশেষে সে ফোন ধরল এবং তড়িঘড়ি করে বলল মন্ত্রীর মিটিঙয়ে আছি

কথা বলিতে পারিতেছি না। টিভিতে সরাসরি প্রচারিত হচ্ছে টি ভি অন কর। টি ভি অন করিলাম। মন্ত্রী যা বলিলেন তাতে হ্যাঁ বনে গেলাম। মন্ত্রীর ভাষা এমন হতে পারে?

তিনি সাংবাদিকদের এক চোট নিলেন। এও বলিলেন এমন শিক্ষা দিব সারা জীবন মনে থাকবে, বিয়ে করে বউ এর উপর চড়িতে পারিবে না।

আমি তখনই প্রতিজ্ঞা করিলাম জীবনে আর যা করি কোন সাংবাদিককে বিয়ে করিব না। যাকে বিয়ে করিব তাকে যদি বুকে না রাখিতে পারিলাম তবে বিয়ে করে কি লাভ।ওকে খুব রাগ করিলাম এবং বলিলাম আমাকে যদি পেতে চাও তবে সাংবাদিকতা বাদ দাও। পত্রিকায় দেখলাম অমুক কলেজে প্রভাষক নিবে তুমি ওখানে

 দরখস্ত কর।

 তুমি কি মনে করেছে ওটা আমার নজরে পড়ে নাই। পত্রিকার চিপা চাপায় যেখানেই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ছাপান হক না কেন তা নজর এড়ায় না। ওখানে যোগাযোগ করেছিলাম

ওরা ৩ লাখ টাকা ঘুষ চাচ্ছে, যে ৩ লাখ টাকা দিবে তার চাকুরী হবে।

 তা ঘুষ দিয়ে চাকুরি নেও।

ঘুষ দিব টাকা কোথায়?

 বাবাকে ধর।

 বাবা টাকা পাবে কোথায়?

 বাবাকে মাঠের জমি বিক্রি করতে বল। মাঠের জমি দিয়ে কি হবে। তুমিত আর জমি চাষ করবে না।

মনে হল আমার পরামর্শে কাজ হল, সে গ্রামে যেয়ে বাবাকে জমি বিক্রির প্রস্তাব দিল। বাবা বলিল আমরা সৈয়দ পরিবার।গ্রামে আমাদের একটা মান সম্মান আছে না।জমি জমা বিক্রি করলে কি মান সম্মান থাকবে রে বেটা। তাছাড়া ঘুষ দিয়ে চাকুরি, ঘুষখোর ও ঘুষদাতা উভয়ই দোজখের আগুনে জ্বলবে। ঘুষ দিয়ে কি আগুনে জ্বলবি।

বাবা দোজখ পরকালের ব্যাপার ইহকালের জঠরের আগুন পরকালের দোযখের আগুনের চেয়ে কম কিসের।

না ফরমানের মত কথা বলবে না বাপ, আমরা সৈয়দ মানুষ , অন্যেরা ধর্মের ব্যাপারে হেলে ফেলা করতে পারে আমরা পারি না। সৈয়দ মানে কি জান, হজরত আলী (রা) বংশ ধর ।

বাবা সারাদেশ দুর্নীতিতে ভরে গেছে, ঘুষ ছাড়া চাকুরী হয় না। তোমার সৈয়দের নীতি নিয়ে থাকলে আমার কোনদিন চাকুরী হবে না। আমাকে কি না খেয়ে মরতে হবে।

সন্তানের কাছে বাবার পরাজয় হল। একান্ত অনিচ্ছা সত্বেও বাবা তাকে জমি বিক্রি করে ৩ লাখ টাকা দিল।

 তার কলেজে চাকুরি হল। আমরা স্বপ্ন দেখতে ছিলাম বছর খানেকের মাঝে বিবাহ বন্ধনে আবদ্য হব। কিন্তু বিঁধি বাম। ছয় মাসের মধ্যেই তার চাকুরী চলে গেল।

কোন এক সুন্দরী ছাত্রীর সহিত অবৈধ সম্পর্কের কারনে তাকে কলেজ চাকুরীচ্যুত করে।

লজ্জায় শরমে আমার মাথা হেড হয়ে গেল। এমন একটা দুশ্চরিত্র বান ছেলের প্রেমে আমি পড়েছি। সে বাব বার আমাকে বোঝাবার চেষ্টা করল দেখ আমার কোন দোষ

নাই। আমাকে অপবাদ দেওয়া হয়েছে। এটা কলেজ কমিটির সাজান নীল নকশা।  তারা ঘুষ নিয়ে চাকুরী দেয়। কিচুদিন পরে অপবাদ দিয়ে চাকুরি চ্যুত করে শূন্য পদে

ঘুষ নিয়ে আবার নিয়োগ দান। এটা এদের এক ধরনের ব্যবসা। আমি এদের ফাঁদে পড়েছি। আমি খোঁজ নিয়ে জেনেছি আমার পূর্বেও কয়েকজন এদের শিকার হয়েছেন।

     এক সময় আমার রাগ পড়ে গেল। না পড়ে উপায় কি? আমারত বয়স কম হল না, বাবা মা বিয়ে দেবার জন্য যথা সম্ভব চেষ্টা করছেন। পাত্র পাচ্চেন না।পাত্রের

অভাব নাই কিন্তু উপযুক্ত পাত্রের সংখ্যা শূন্য।

সুতরাং সম্পর্ক আবারও জোড়া লাগল। একদিন অত্যন্ত তোষামোদের ভাষায় সে আমাকে বলল একটা কলেজে চাকুরী পাচ্ছি কিন্তু দুইটি শর্ত আছে। একটা আমি নিজে

পূরণ করতে পারছি অন্যটি অপারগ। কলেজের প্রতিষ্ঠাতা একটা রাজনৈতিক দল করে, তার দলে যোগ দিতে হবে তার সাথে মিটিং মিছিলে যেতে হবে। শর্ত নম্বর দুই

কলেজের ফান্ডে দুই লাখ টাকা জমা রাখতে হবে, বলতে পার এটাও এক ধরনের ঘুষ। দুই লাখ টাকা আমি কোন ভাবেই যোগাড় করতে পারছিনা। বাবাকে আবারও

জমি বিক্রি করতে বলি কিভাবে। তুমি কি আমাকে কোন পথ বাতলিয়ে দিতে পার।

সে নিজে থেকেই বলল এক কাজ করলে কেমন হয়। কি কাজ।

আমরা বিয়ে করে ফেলি।

তাতে তোমার দুই লাখ টাকা আসবে কিভাবে? বিয়েতে খরচ আছে না।

বলছিলাম তোমার বাবাকে বলে আমার জন্য দুই লাখ টাকা যোগাড় করতে।

 মানে তুমি যৌতূক চাঁচ্ছ।

তুমি ওভাবে নিচ্ছ কেন, বাবা আমাদেরকে প্রতিষ্ঠার জন্য এখন দুই লাখ টাকা সাহায্য দিল পরে সুবিধামত সময়ে ফেরত দিলাম।

কিন্তু কথাটা আমি বাবাকে বলব কিভাবে? তিনিত ওটাকে যৌতূক হিসাবেই নিবেন। নিজের বিয়ের কথা কি বাবাকে বলা য়ায়।

মাকে দিয়ে বলাও।

মাকে বলতেও লজ্জা লাগে, আমি পারব না।

পারতে তোমাকে হবেই লক্ষ্মী। আমার জন্য অন্তত একাজটা কর।

আমতা আমতা করে একদিন মাকে বলেই ফেললাম। মা অতি সহজেই রাজী হয়ে গেলেন এবং বাবাকেও রাজী করে ফেলালেন। মহা ধূমধামে আমাদের বিয়ে হয়ে গেল।

 ও কলেজে যোগদান করল সাথে সাথে রাজনীতি। রাজনীতিতে যোগ দিয়েই ও নাম করে ফেলল। ও এত জ্বালাময়ী বক্ত্রীতা করতে পারে আমার জানা ছিল না। প্রতিদিন

পত্রিকায় ওর ছবি আসতে লাগল। সহসাই ও সারাদেশে পরিচিতি পেয়ে গেল। কথায় আছে না যে আগুন দাউ দাউ করে জ্বলে তা আবার দপ নিভে য়ায়।  ওর বেলায়ও

হল তাই। হটাত করে সে নিখোঁজ , এক জলজ্যন্ত মানুষ হারিয়ে গেল। দুই দিন চার দিন কোন খবর নেই। ৫ম দিনে পুলিশ তার খবর পেল তার কর্মস্থল থেকে অনেক

দূরে জীবিত নয় মৃত। পুলিশের সহিত বন্দুক লড়াইয়ে তার মৃত্যু হয়েছে।  এ যেন একটা স্বাভাবিক ঘটনা । দেশের কেহ কোন প্রতিবাদ করল না। যে জীবনে হাতে কলম  ছাড়া অন্য কিছু ধরে নাই, সে গেছে পুলিশের সাথে বন্দুক লড়াইয়ে। আমি প্রতিবাদ করলাম, সংবাদ সম্মেলন করলাম। আমি এখন পুলিশের শত্রু। তারা আমার পিছু নিয়েছে। আমার পরিণতিও তারই মত হবে।

বাইরে থেকে কারা যেন মাইকে ঘোষণা করছে, এই ঘরে একজন দুস্ক্রতকারি ঠুকেছে , আমরা চারিদিক ঘিরে ফেলেচি। জলদি বের হয়ে আস নইলে গুলি করব।

 আমি মেয়েটিকে বললাম তুমি ক্লোজেটে ঠুকে পড়। বাহির থেকে সো সো করে গুলি ঘরে আসতে লাগল। কয়েকটা গুলি আমার বুকে লাগল। কি অসহ্য ব্যথা।আমি বুকে হাত দিলাম, রক্তে আমার হাত ভিজে গেল। আমি ব্যথা সহ্য করতে পারছি না। আমার সময় শেষ, যথাসাধ্য চেষ্টায় উচ্চারণ করলাম  লাই লাহা ইল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ।

আমি মেঝেতে পড়ে গেলাম। আমার স্ত্রী আলো জ্বালিয়ে বলল একটু শান্তিতে ঘুমানোর জো নেই।

আমি ক্লোজেটে মেয়েটিকে খুঁজছি।

ওখানে কি খুঁজছ? আজও নিশ্চয় কোন বাজে স্বপ্ন দেখেছ। ইদানীং খুব দুঃস্বপ্ন দেখছ, রাত পোহালেই ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাব।

রাত পোহাবার আর কত দেরী ?

 

আটলান্টা।

 

আমাদের ওয়েবে আরো গল্প পড়তে নিন্মের লিঙ্কে ক্লিক করুনঃ

শনিবার সাহিত্য

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

Facebook Comments Box

বাংলাদেশ সময়: ৭:২৩ অপরাহ্ণ | সোমবার, ০২ মার্চ ২০১৫

https://thesaturdaynews.com |

Development by: webnewsdesign.com