ঢাকায় আটলান্টার এমোরীর শিক্ষার্থীসহ সকল নিহতদের স্মরণে স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত

শনিবার, ০৯ জুলাই ২০১৬

ঢাকায় আটলান্টার এমোরীর শিক্ষার্থীসহ সকল নিহতদের স্মরণে স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত
অবিন্তা কবির ও ফারাজ হোসেন

অবিন্তা কবির ও ফারাজ হোসেন

শনিবার রিপোর্টঃ  বাংলাদেশের রাজধানীর একটি রেস্তোরাঁয় সন্ত্রাসী হামলায় আটলান্টাস্থ এমোরী ইউনিভার্সিটির দুই শিক্ষার্থীসহ সকল নিহতদের স্মরণে এক স্মরণসভা করল যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টা ক্যাম্পাস। যে হামলায় বাংলাদেশের ৩ জনসহ বিভিন্ন দেশের ২০টিরও বেশি প্রাণ হারায় । বাংলদেশি ঐ ৩ জনের দু’জনই আটলান্টাস্থ এমোরী ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী অবিন্তা কবির ও ফারাজ হোসেন।

৭ জুলাই বৃহস্পতিবার বেলা ১টায় এমোরী ইউনিভার্সিটির ক্যানন চ্যাপেলে এ স্মরণ সভায় প্রায় ২শ’ মানুষের সমাগম হয়।


এমোরী কর্তৃপক্ষ জানায় নিহত ফারাজ হোসেন সংশ্লিষ্ট ইউনিভার্সিটির অক্সফোর্ড কলেজের গোইজুয়েটা বিজনেস স্কুলেও পড়তেন । ঐ হত্যাকান্ডে ফ্লোরিডার অধিবাসী বাংলাদেশি ছাত্রী অবিন্তা কবির এবং বার্কলে ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটির ছাত্রী তারুশি জৈনও নিহত হন।

070816_emory_vigil_HS04

অনুষ্ঠানে প্লায়ার কার্ড হাতে আরিফ আহমেদ ছবিঃ আটলান্টা জার্নাল এন্ড কন্সটিউট

ফারাজ ও অবিন্তা কবিরের  স্মৃতি চারণ করতে গিয়ে চেজ জ্যকসন নামকে এক ছাত্র বলেন,  “would flock” to Kabir and her “loving personality.” Hossain greeted everyone with a broad smile, and “his heart was bigger than anyone else’s,”

রিফাত মুরসালিন নামেক আরেক জন স্মৃতি চারণে বলেন, “To honor Faraaz and others, we must not be afraid in times like this,”

ফারাজকে ব্যক্তিগত ভাবে জানে এমোরীর এক ছাত্র স্থানীয় লরেন্সভিলের অধিবাসী সানু পুঞ্জা শনিবারের চিঠিকে বলেন, আমার বাবা বাংলাদেশের ময়মনসিংহে জন্ম নেওয়া একজন মানুষ । বাবার কাছে বাংলাদেশের গল্প শুনে শুনে আমিও বাংলাদেশকে ভালোবেসে ফেলি। যদিও আমার কখনও বাংলদেশে যাওয়া হয়নি। ফারাজ বাংলাদেশ থেকে আগত এমোরীর একজন ছাত্র সে হিসেবে তার সাথে আমার বিশেষ বন্ধুত্ব সৃষ্টি হয়। সে ছিল অত্যন্ত বন্ধুসুলভ ব্যক্তি বাংলাদেশে বেড়াতে গিয়ে নিহত হওয়ায় আমি অত্যন্ত ব্যথিত। দূর্ঘটনা স্থলে  ফারাজ হোসেনকেও সে সময় ফিরে যাওয়ার সুযোগ দেয়া হয়েছিল। কিন্তু ওই সময় তার সঙ্গে দুই বান্ধবী ছিলেন।  সে তাদের বিপদে ফেলে রেখে একাকী চলে আসতে রাজী হননি। পরবর্তীতে  সন্ত্রাসীদের গুলিতে সেও নিহত হয়। অথচ বাংলদেশের কোন কোন মিডিয়া তাকেও সন্ত্রাসীদের একজন বলে ঘৃন্য প্রচারে ব্যস্ত হয়। আমি বাংলাদেশের এই ঘৃন্য প্রচারে সত্যিই দুঃখিত।

স্মরণ সভায় বাংলাদেশি কম্যুনিটির মধ্যে জর্জিয়া বাংলদেশ সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন, সাবেক সভাপতি ও বাংলাদেশি-আমেরিকান এ্যাসোসিয়েশন অব জর্জিয়ার সভাপতি জসিম উদ্দিন,  আরিফ আহমেদ, জর্জিয়া বিএনপির সভাপতি নাহিদুল খান সাহেল, ফোবানার সাবেক চেয়ারম্যান ডিউক খান, জর্জিয়া সোসাল এন্ড কালচারাল অর্গানাইজেশনের সভাপতি  মোহন জাব্বার, শহিদুল ইসলাম ঠান্ডু, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, মোহাম্মদ খান লোদীসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

শনিবারের চিঠি/আটলান্টা/ জুলাই ০৯, ২০১৬

Facebook Comments Box

বাংলাদেশ সময়: ১:৩৯ অপরাহ্ণ | শনিবার, ০৯ জুলাই ২০১৬

https://thesaturdaynews.com |

Development by: webnewsdesign.com