জর্জিয়াসহ যুক্তরাষ্ট্রে অনেক রাজ্যে লকডাউন উঠে যাচ্ছে

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২০

জর্জিয়াসহ যুক্তরাষ্ট্রে অনেক রাজ্যে লকডাউন উঠে যাচ্ছে
ডাউনটাউন আটলান্টা, জর্জিয়া

জর্জিয়া, ওকলাহোমা, আলাস্কা ও সাউথ ক্যারোলাইনায় লকডাউন শিথিল করে ইতিমধ্যে বেশ কিছু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হয়েছে। অন্য রাজ্যগুলোও এই রাজ্য প্রশাসকদের সঙ্গে আলোচনা করে সামনের সপ্তাহে সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানা গেছে। কলোরাডোর গভর্নর জারড পোলিশ বলেছেন, এই রাজ্যে ১ মের মধ্যে সেলুন ও ট্যাটু পার্লারগুলো আবার চালু হয়ে যাবে।
টেনেসি অঙ্গরাজ্যের সব রেস্টুরেন্টকে ২৭ এপ্রিল খোলার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। একই দিনে মিসিসিপি রাজ্যে লকডাউনের মেয়াদও শেষ হয়ে গেছে। মন্টানার গভর্নর রাজ্যের চার্চগুলো খুলে দিয়েছেন। তবে সবাইকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখেই চলাচল করতে হবে বলে জানিয়ে দিয়েছেন। আর রাজ্যে রেস্টুরেন্ট ও স্কুলগুলো আগামী ৭ মে খুলে দেওয়া হবে।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে আমেরিকায় জারি হওয়া লকডাউন ধীরে ধীরে উঠে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে দেশটির অনেক অঙ্গরাজ্য লকডাউন শিথিল করে ধীরে ধীরে নানা খাত খুলে দেওয়া শুরু করেছে। তবে লকডাউন তুলে নিলেও আসছে গ্রীষ্ম পর্যন্ত আমেরিকাবাসীকে সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে বলে গাইডলাইন দেওয়া হয়েছে।


তবে রাজ্য গভর্নররা বলছেন, রাজ্যে মানুষ এখনই একদম স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবে না। কারণ কিছু কিছু এলাকায় এখন ব্যাপক সংক্রমণের ঝুঁকি রয়েছে। তাই সেসব এলাকা কঠোর লকডাউনের আওতায়ই থাকবে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ও তাতে মৃত্যুর দিক দিয়ে আমেরিকা সবার ওপরে। ছবি: রয়টার্সকরোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে আমেরিকায় জারি হওয়া লকডাউন ধীরে ধীরে উঠে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে দেশটির অনেক অঙ্গরাজ্য লকডাউন শিথিল করে ধীরে ধীরে নানা খাত খুলে দেওয়া শুরু করেছে। তবে লকডাউন তুলে নিলেও আসছে গ্রীষ্ম পর্যন্ত আমেরিকাবাসীকে সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে বলে গাইডলাইন দেওয়া হয়েছে।

তবে রাজ্য গভর্নররা বলছেন, রাজ্যে মানুষ এখনই একদম স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবে না। কারণ কিছু কিছু এলাকায় এখন ব্যাপক সংক্রমণের ঝুঁকি রয়েছে। তাই সেসব এলাকা কঠোর লকডাউনের আওতায়ই থাকবে।
বিবিসি অনলাইনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, করোনাভাইরাস সংক্রমণ ও এতে মৃত্যুর দিক দিয়ে আমেরিকা সবার ওপরে। এর মধ্যে নিউইয়র্কের অবস্থা সবচেয়ে শোচনীয় ছিল। তবে গত কয়েকদিনে নিউইয়র্কসহ আমেরিকায় করোনাভাইরাসে সংক্রমণের হার কমে আসছে। করোনাভাইরাসে সৃষ্ট কোভিড-১৯ সংক্রমণের শিকার হয়ে বিশ্বের ২ লাখ ৯ হাজারের বেশি মানুষ মারা গেছে, যার এক চতুর্থাংশ আমেরিকার।
জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটির তথ্য অনুযায়ী, ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত আমেরিকায় করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে রোগীর সংখ্যা প্রায় ১০ লাখ ছুঁই ছুঁই। আর এতে মৃত্যু হয়েছে ৫৬হাজারের বেশি মানুষের। আর ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে রোগীর সংখ্যা ১০ লাখ ১০ হাজার ৫০৭ জন। আর এতে মৃত্যু হয়েছে ৫৬ হাজার ৮০৩ জনের।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আমেরিকার প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ বাধ্যতামূলক লকডাউন আদেশের মধ্যে আছে। তবে কিছু রাজ্য ধীরে ধীরে এই নির্দেশনা শিথিল করে আনছে। এতে ওই সব রাজ্যের বাসিন্দারা জরুরিভাবে সেলুন ও ট্যাটু পার্লারে যেতে পারছে।

শনিবারের চিঠি / আটলান্টা/ এপ্রিল ৩০, ২০২০

 

Facebook Comments Box

বাংলাদেশ সময়: ৮:২৮ পূর্বাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২০

https://thesaturdaynews.com |

Development by: webnewsdesign.com