খুলনায় ভাঙা বাঁধ পরিদর্শনে গিয়ে শ্রমিকদের রোষানলে সাংসদ [ ভিডিও ]

তাড়া খেয়ে পালালেন

মঙ্গলবার, ০১ জুন ২০২১

খুলনায় ভাঙা বাঁধ  পরিদর্শনে গিয়ে  শ্রমিকদের রোষানলে  সাংসদ [ ভিডিও ]
সাংসদকে দেখে উত্তেজিত ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন শ্রমিকরা [ছবিঃ সংগৃহীত ] ।

খুলনার কয়রার মহারাজপুর ইউনিয়নের দশহালিয়া এলাকায় কপোতাক্ষ নদের ভেঙে যাওয়া বাঁধ ঠিক করছিলেন কয়েক হাজার মানুষ। মঙ্গলবার সকালে (১ জুন) ট্রলার নিয়ে উপস্থিত হয়েছিলেন খুলনা-৬ (পাইকগাছা-কয়রা) আসনের সাংসদ মো. আক্তারুজ্জামান। তাকে দেখে উত্তেজিত জনতা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। সাংসদকে কাঁদা ছুড়ে মারার পরে সেখান থেকে তিনি ট্রলার নিয়ে চলে যান। পরে অবশ্য ফিরে আসেন।

বাঁধে কাজ করা কয়েকজন মানুষের কাছ থেকে জানা গেছে, ইয়াসের পর ওই এলাকার বাঁধ ভেঙে মহারাজপুর ও পাশের বাগালী ইউনিয়নের অন্তত ২০টি গ্রাম প্লাবিত হচ্ছে সাগরের লোনাপানিতে। ইয়াসের প্রভাবে সৃষ্ট জলোচ্ছ্বাসে গত বুধবার ভেঙে যাওয়া ওই বাঁধ এখনো মেরামত করা সম্ভব হয়নি। এ কারণে নিয়মিত জোয়ারভাটা আসা-যাওয়া করছে গ্রামগুলোর মধ্য দিয়ে।


এ সময় সাংসদ মাইকে স্থায়ী বাঁধ না করতে পারায় নিজের ব্যর্থতার কথা স্বীকার করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে বাঁধ মেরামতের কাজে লেগে পড়েন। কিন্তু সেটিও পছন্দ হয়নি কাজ করতে থাকা সাধারণ মানুষের। সাংসদ কাজে নামার পর অধিকাংশ মানুষ কাজ ছেড়ে দিয়ে চলে যান।

সাংসদের ওপর ক্ষোভের কারণ হিসেবে স্থানীয় লোকজন বলছেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বেড়িবাঁধের কাজ নিয়ন্ত্রণ করেন সাংসদ। তার আত্মীয়স্বজন ও ঘনিষ্ঠজনদের ওই ঠিকাদারির কাজ দেওয়া হয়। এ কারণে বাঁধের কাজের মান ভালো হয় না। তাই জোয়ারের পানি সামান্য বাড়লেই ভেঙে যায় বাঁধ। আর দুর্ভোগে পড়ে সাধারণ মানুষ।

শ্রমিকদের দাবি যৌক্তিক উল্লেখ করে সাংসদ মো. আক্তারুজ্জামান বলেন, তবে আমাকে বহনকারী ট্রলারে কাঁদা ছুড়ে মারা হয়নি।

বারবার বাঁধ ভাঙে আর বারবার স্বেচ্ছাশ্রমে তাদের কাজ করতে হয়। এ কারণে সাংসদের ওপর তাদের ক্ষোভও বেশি।

 

 

Facebook Comments Box

বাংলাদেশ সময়: ৯:০১ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, ০১ জুন ২০২১

https://thesaturdaynews.com |

Development by: webnewsdesign.com