খালেদা জিয়ার স্থায়ী জামিন নাকচ

বৃহস্পতিবার, ০২ নভেম্বর ২০১৭

খালেদা জিয়ার স্থায়ী জামিন নাকচ

বাংলাদেশ ডেস্কঃ জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়ার করা স্থায়ী জামিনের আবেদন নাকচ করেছেন আদালত। পরবর্তী শুনানির তারিখ ধার্য করা হয়েছে ৯ নভেম্বর।

বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর বকশীবাজারের আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫নং বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামানের আদালতে হাজির হয়ে আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়ার মাধ্যমে দুই মামলায় স্থায়ী জামিনের আবেদন করেন বিএনপি চেয়ারপারসন। পরে বিচারক জামিন আবেদন নাকচ করেন।


খালেদা জিয়ার আইনজীবী এ দুটি মামলার ৯ জনের পুনঃজেরা ও দুজনের জেরাসংক্রান্ত এবং মামলাটি স্থগিত চেয়ে করা আবেদন হাইকোর্টের আপিল বিভাগে বিচারাধীন রয়েছে বলে আদালতকে অবহিত করেন।

সেই পরিপ্রেক্ষিতে আপিল বিভাগের আবেদনের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিশেষ আদালতে মামলার কার্যক্রম স্থগিত রাখার আবেদন করা হয়। কিন্তু ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ আদালতের বিচারক ড. আখতারুজ্জামান খালেদা জিয়ার সেই আবেদনও নামঞ্জুর করে দেন।

এর পর দুপুর ১টার দিকে বিএনপি  চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আত্মপক্ষ সমর্থন করে আদালতে বক্তব্য উপস্থাপন শুরু করেন। তিনি ১৫ মিনিটের মতো আত্মপক্ষ সমর্থন করে বক্তব্য দেওয়ার পর মুলতবি প্রার্থনা করেন।

এর আগে সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে তিনি তার গুলশানের বাসভবন ‘ফিরোজা’ থেকে আদালতের উদ্দেশে বের হন।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আদালতে হাজিরা দেয়ার পর তার আইনজীবীরা স্থায়ী জামিনের আবেদন করেন। পরে এই আবেদনের ওপর শুনানি শুরু হয়।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার আত্মপক্ষ সমর্থনের অসমাপ্ত বক্তব্য দেয়া এবং জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাক্ষীকে পুনরায় জেরা করার জন্য দিন ধার্য রয়েছে।

গত ১৯ অক্টোবর দুর্নীতির দুই মামলায় দুই লাখ টাকা মুচলেকায় শর্তসাপেক্ষে খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন আদালত। ওই দিনও তিনি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থনে এক ঘণ্টা বক্তব্য দেন।

পরে ২৬ অক্টোবর জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থন করে দ্বিতীয় দিনের মতো বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারপারসন।

এর আগে গত ১২ অক্টোবর হাজির না হওয়ায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দুই মামলায়ই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

এ ছাড়া ২০০৮ সালের ৩ জুলাই জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে রমনা থানায় মামলা করে দুদক।

শনিবারের চিঠি / আটলান্টা/ ০২ নভেম্বর, ২০১৭

Facebook Comments Box

বাংলাদেশ সময়: ৬:২৫ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ০২ নভেম্বর ২০১৭

https://thesaturdaynews.com |

Development by: webnewsdesign.com