কোকেন কি ?

বুধবার, ০১ জুলাই ২০১৫

কোকেন কি ?

 

গাঁজার পরেই সারা বিশ্বে সবচেয়ে জনপ্রিয় অবৈধ ড্রাগ কোকেন। এ মাদকের সবচেয়ে বেশি ব্যবহার উত্তর আমেরিকার দেশগুলোতে, এরপরেই আছে ইউরোপ এবং দক্ষিণ আমেরিকা। উন্নত বিশ্বের এক থেকে তিন শতাংশ মানুষ জীবনের নানা পরিস্থিতিতে কোকেন সেবন করে। এটি অবসাদ বা বিষাদগ্রস্ত মানুষ সাময়িক প্রশান্তি এবং অনেকে আনন্দ করার জন্যও সেবন করে।


২০১৩ সালের এক জরিপে দেখা গেছে, এ বছরে ৪ হাজার ৩০০ মানুষের মৃত্যুর সরাসরি কারণ ছিল কোকেন। এ সংখ্যা ১৯৯০ সালে ছিল ২ হাজার ৪০০।

কোকেন সর্বপ্রথম এর পাতার নির্যাস থেকে আলাদা করা হয় ১৮৬০ সালে। আর ১৯৬১ সালে আন্তর্জাতিক আইনে মাস্তি করার জন্য কোকেন সেবন অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়।

Cocain 1কোকেনের রাসায়নিক উপাদান বেনজয়েলমিথাইলএকজোনিন। এটি সাধারণত পাইপের সাহায্যে নাক দিয়ে টেনে নেয়া হয়, পাত্রে রেখে তাপ দিয়ে বাষ্প গ্রহণ করা হয় অথবা ইনজেকশনের মাধ্যমে ধমনীতে নেয়া হয়।

এই মাদক গ্রহণ করার সঙ্গে সঙ্গে শরীরে অন্যরকম অনুভূতি হয়। স্বর্গীয় প্রশান্তি, এক ধরনের ভ্রান্তি মনকে আচ্ছন্ন করে ফেলে।

তবে ওষুধ হিসেবেও কোকেনের ব্যবহার রয়েছে। অঙ্গ-প্রতঙ্গের অসাড়তা দূর করতে এবং নাকের অপারেশনের সময় রক্ত পড়া বন্ধ করতে সামান্য পরিমাণ কোকেন ব্যবহৃত হয়।

চিকিৎসায় কোকেনের ব্যবহার খুব সীমিত কিন্তু মাদক হিসেবে এর রয়েছে ব্যাপক ব্যবহার। এ কারণে সারা বিশ্বে বিশাল এক সিন্ডিকেট রয়েছে যারা কোকেন চোরাকারবারিতে জড়িত। সম্প্রতি বাংলাদেশও এ মাদক পাচারের রুটে পরিণত হয়েছে।  সারা বিশ্বে এই কোকেন  প্রতিগ্রাম সর্বোচ্চ ৩শ ডলার থেকে সর্বনিন্মে সাড়ে তিন ডলারে কেনাবেচা হয়।

সূত্র: আন্তর্জাতিক কালোবাজারি বিষয়ক তথ্য সংগ্রাহক ওয়েবসাইট ‘হ্যাভকস্ক

শনিবারের চিঠি / আটলান্টা /  ১ জুলাই ২০৫

 

Facebook Comments Box

বাংলাদেশ সময়: ৯:৫২ পূর্বাহ্ণ | বুধবার, ০১ জুলাই ২০১৫

https://thesaturdaynews.com |

Development by: webnewsdesign.com