আরো ৩৩ মৃত্যুর ফলে জর্জিয়ায় করোনায় মৃত্যু ৪১২, আক্রান্ত ১১ হাজারের কাছাকাছি

শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২০

আরো ৩৩ মৃত্যুর ফলে জর্জিয়ায় করোনায় মৃত্যু  ৪১২, আক্রান্ত  ১১ হাজারের কাছাকাছি
এপ্রিল ০৯, , সন্ধ্যে ৭ টার সর্বশেষ পরিস্যংখ্যান

জর্জিয়ার ডিপার্টমেন্ট অব পাবলিক হেলথের  তথ্য অনুযায়ী,  গতকাল দুপুরের পর থেকে জর্জিয়ার করোনাভাইরাস মৃত্যুর সংখ্যা ৩৩ টি বেড়েছে, যা রাজ্যের মোট মৃত্যু সংখ্যা ৪১২ জনে গিয়ে  পৌঁছল।

জর্জিয়ায় করোনাভাইরাস মহামারী জর আকারে প্রবেশের পর থেকে ডিওএইচ-কভিড -১৯ এর ৩১৯ টি অতিরিক্ত কেস রেকর্ড করা হয়েছে,। গতকাল পর্যন্ত  জর্জিয়ার ১০ হাজার ৮৮৮ টি আক্রান্তের সাংখ্যা  বেড়েছে। এর মধ্যে ২ হাজার ২৯৮ জন রোগী এক পর্যায়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।


রাজ্যের ৭৭ টি কাউন্টিতে কমপক্ষে একজন  করে মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এ ছাড়া ফুলটনে ৪৮ এবং কবে ৩২ ।ডুঘের্টি এবং সামারটনে চারজন করে কব  এবং বার্টো কাউন্টিতে তিনটি করে মার গেছে ।

জর্জিয়া ৪১হাজারেরও বেশি পরীক্ষা চালিয়েছে এবং এর মধ্যে প্রায় ২৬.৫% ইতিবাচক ফল পেয়েছে।

যারা মারা গেছেন তাদের মধ্যে কমপক্ষে 68.২% পূর্বে বিভিন্ন কঠিন রোগে আক্রান্ত ছিল, কিন্তু প্রায় ২২.২%  রোগীর তথ্য অজানা। । কেবল  মাত ১৫ জনকেই নিশ্চিত করা হয়েছে যা  কভিড -১৯ করোনাভাইরাসে  তাদের মৃত্যুর কারণ হতে পারে।

গতকাল জর্জিয়ার  করোনায় কনিষ্ঠতম শিকার ছিলেন ২৭ বছর বয়সী লি কাউন্টি এক মহিলা, আর সবচেয়ে বয়স্ক ছিলেন গ্রিন কাউন্টির ১০০ বছর বয়সী আরেক  মহিলা।

ডিপিএইচ সম্প্রতি রোগীদের জাতি এবং বর্ণের সংকলিত তথ্য প্রকাশ করতে শুরু করেছে, তবে ৬০% এরও বেশি রোগী তাদের জাতি অজানা ।

তবে সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী প্রায় ২১.৩ % কৃষ্ণাঙ্গ, ১৫.৯% শ্বেতাঙ্গ, ২.৮%  হিস্পানিক বা লাতিনো জাতিগোষ্ঠী এবং ০.৭% এশিয়ান বলে তালিকাভুক্ত হয়েছে।

ইভান্স, গ্লাসকক, মন্টগোমেরি এবং টালিফেরো – মাত্র চারটি কাউন্টি তাদের প্রথম মামলাগুলো রেকর্ড করে নি। জর্জিয়ার বাকি ১৫৫ টি কাউন্টিতে কমপক্ষে একটি রয়েছে, ফুলটনে ১ হাজার ৩৩৬টি নিশ্চিত কেস নিয়ে তালিকার শীর্ষে রয়েছেন।

দুপুরের পর থেকে ডিক্যাব এবং কব  প্রত্যেকে ২৪ টি নতুন কেস রেকর্ড করা হয়েছে।

গতকাল  সন্ধ্যা ৭ টা অবধি, ডিক্যাবে ৭৬৬ , কবে ৬৫৩  গুইনেটে  ৬১৮ ক্লেটনে ১৯৮ হেনরিতে ২৩৩, বার্তোতে ২০৩, চেরোকিতে ১৬৭,ডগলাসে ১৩৪, ফোরসাইতে ১০৯,ফয়েডে ১০০, রকডালে  ৮৫,  নিউটনে ৭০, পলডিংয়ে ৬৯ রোগীর বৃদ্ধি পেয়েছে ।

এছাড়াও অন্যান্য কাউন্টিতেও আক্রান্ত এবং মৃতের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ।

১৮ থেকে ৫৯ বছর বয়সের মধ্যে রোগীদের বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ৬০% অন্যান্য বা  তার চেয়ে বেশি বয়সের  ক্ষেত্রে  ৩৫% রোগী আক্রান্ত হয়। ডিপিএইচ কত রোগী পুনরুদ্ধার করেছে তার সংকলিত তথ্য প্রকাশ করে না। সূত্রঃ আটলান্টা জার্নাল এন্ড কনস্টিটিউশন

শনিবারের চিঠি / আটলান্টা/ এপ্রিল ১০, ২০২০

Facebook Comments Box

বাংলাদেশ সময়: ৫:৪৯ অপরাহ্ণ | শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২০

https://thesaturdaynews.com |

Development by: webnewsdesign.com