অরল্যান্ডো হত্যাকান্ডে নিউইয়র্কে প্রতিবাদ সমাবেশঃ অংশ গ্রহণ করে বাংলাদেশিরাও

বৃহস্পতিবার, ১৬ জুন ২০১৬

অরল্যান্ডো হত্যাকান্ডে নিউইয়র্কে প্রতিবাদ সমাবেশঃ অংশ গ্রহণ করে বাংলাদেশিরাও

এবাদত উদ্দিন, নিউ ইয়র্কঃ  ফ্লোরিডার অরল্যান্ডো হত্যাকান্ডকে ঘৃণিত অপরাধ উল্লেখ নিউ ইয়র্কে প্রতিবাদে সমাবেশ করেছে স্থানীয়  অভিবাসীরা। জ্যাকসন হাইটসের ডাইভার সিটি প্লাজায় গত রবিবার অনুষ্ঠিত এ প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন শুধু যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসেই নয় মানব সভ্যতার ইতিহাসেও এটি একটি জঘন্য ও কাপুরোষিত কর্মকান্ড। সকল জাতি ধর্মের মানুষকে  ঐক্যবদ্ধ হয়ে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানানো হয় এ সমাবেশ থেকে।

নিউ ইয়র্ক সিটি কাউন্সিলম্যান ড্যানিয়েল ড্রমের আহ্বানে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশে সকল ধর্ম, বর্ণ এবং বাংলাদেশি আমেরিকানসহ বিভিন্ন দেশের অভিবাসীরা অংশ নিয়ে ক্ষোভ ও নিন্দা জানান। এ সময় বক্তারা বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে নয়, এ হামলা মানব সভ্যতার ইতিহাসেও একটি জঘন্য হামলা। তারা বলেন, এই হামলার সঙ্গে কোন ধর্মীয় গোষ্ঠী জড়িত নয়, একক ব্যক্তিই এই হামলার জন্য দায়ী। কোন ধর্মই মানুষ হত্যার কথা বলেনি। যারা নিরাপরাধ মানুষকে হত্যা করে তাদের কোন ধর্ম নেই, বর্ণ নেই, দেশ নেই। তাদের সবচেয়ে বড় পরিচয় তারা সন্ত্রাসী।


বক্তারা বলেন, এই সন্ত্রাসী এবং বর্বরোচিত হামলা মুসলিম, খ্রিস্টান ও জুইসসহ সকল ধর্মের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ থেকে প্রতিহত করতে হবে। এইভাবে একের পর এক হামলা চলতে দেয়া যায় না। যুক্তরাষ্ট্রে অবাধে অস্ত্র বিক্রি আইনের সমালোচনাও করেন বক্তারা। তারাঅবিলম্বে অবাধে অস্ত্র বিক্রি আইন করে বন্ধের আহবান জানান।
সমাবেশে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন-নিউ ইয়র্ক সিটি কাউন্সিলের স্পিকার মেলিসা মার্ক ভিভেরিটো, পাবলিক অ্যাডভোকেট লেটিশিয়া জেমস, নিউ ইয়র্ক সিটি কাউন্সিলের মেজরিটি লিডার জেমি ভ্যান বার্নার, কম্পট্রলার স্কট স্ট্রিঙ্গার, নিউ ইয়র্ক স্টেট সিনেটর জেইমস সেন্ডার্স, হোজে প্যারাল্টা, টবিম্যান ইউস্কি, স্টেট অ্যাসেম্বলিম্যান মাইকেল ডেকার, মুসলিম কমিউনিটি লিডার আলী নাজমি, মোহাম্মদ আমিন, বেসরকারি সংস্থা সুখীর প্রেসিডেন্ট আগা সালেহ, মূলধারার রাজনীতিবিদ বাংলাদেশি  মঞ্জুর চৌধুরী, কমিউনিটি লিডার এটর্নি মঈন চৌধুরী, কাজী আজিজুল হক খোকন প্রমুখ।

উল্লেখ্য, গত রবিবার রাতে ফ্লোরিডার অরল্যান্ডোর একটি নাইট ক্লাবে বর্বরোচিত হামলা চালায় আফগান বংশোদ্ভূত নিউইয়র্কে জন্মগ্রহণকারী ওমর মতিন। এ ঘটনায় ৫০ জন প্রাণ হারায়। আহত হয়েছে আরো ৫৩ জন। পরে হত্যাকারীও পুলিশের গুলিতে নিহত হয়।

শনিবারের চিঠি/ আটলান্টা / জুন ১৬,২০১৬

ফেসবুকে আমরাঃ আমাদের সাথে থাকতে ফেসবুক ওপেন করুন এবং লাইক বক্সে ক্লিক দিন।

Facebook Comments Box

বাংলাদেশ সময়: ৯:২৫ পূর্বাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ১৬ জুন ২০১৬

https://thesaturdaynews.com |

Development by: webnewsdesign.com