অবশেষে নায়েক রাজ্জাক ফিরলেনঃ পরিবারে স্বস্তি (ভিডিও)

শুক্রবার, ২৬ জুন ২০১৫

অবশেষে নায়েক রাজ্জাক ফিরলেনঃ পরিবারে স্বস্তি (ভিডিও)

 

শনিবার রিপোর্টঃ অপহরণের ৯ দিনের মাথায় অবশেষে দেশে ফিরেলেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) নায়েক আব্দুর রাজ্জাক। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে বিজিবি প্রতিনিধি দল নায়েক রাজ্জাককে নিয়ে টেকনাফ স্থলবন্দরে পৌঁছান বলে জানিয়েছেন বিজিবি কক্সবাজার সেক্টর`র অতিরিক্ত পরিচালক (অপারেশন) মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।


এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেল সোয়া তিনটার দিকে মিয়ানমারের মংডুতে পতাকা বৈঠকে শেষে তাকে বিজিবি প্রতিনিধিদলের কাছে হস্তান্তর করে বিজিপি।

মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম জানান, তাকে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে টেকনাফ ৪২ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. আবু জার আল জাহিদের নেতৃত্বে সাত সদস্যের প্রতিনিধিদল মিয়ানমারের মংডুর উদ্দেশ্যে রওনা দেন। প্রতিনিধিদলের সঙ্গে ছিলেন স্টাফ অফিসার মেজর মাহবুব সাবের, মেডিকেল অফিসার মেজর মো. শাহ আলম।

বিজিবি প্রতিনিধিদল মংডু পৌঁছানোর পর মিয়ানমার এন্ট্রি-এক্সিট পয়েন্ট-১ এর `দেওয়ান নান্দি হল` এ ৪২ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন এবং মিয়ানমার বর্ডার গার্ড পুলিশ দুই নম্বর ব্রাঞ্চ এর মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পতাকা বৈঠকে মিয়ানমার বিজিপি ১০ সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন ২ নম্বর বর্ডার গার্ড পুলিশ ব্রাঞ্চ অধিনায়ক লে. কর্নেল থি হান।

বৈঠক শেষে অস্ত্র (এসএমজি), ম্যাগজিন ও গোলাবারুদসহ অপহৃত রাজ্জাককে বিকেল সোয়া তিনটার দিকে ফেরত দেয় বিজিপি। পতাকা বৈঠকে রাজ্জাক অপহরণের মতো ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না ঘটে সে বিষয়ে আলোচনা করা হয় বলে জানান বিজিবির ওই কর্মকর্তা।

সব প্রক্রিয়া শেষে মিয়ানমারের মংডু থেকে রাজ্জাককে নিয়ে বেলা পৌনে ৪টার দিকে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওনা দেয় বিজিবি প্রতিনিধি দলটি। কিন্তু বৈরী আবহওয়ার কারণে বিজিবি প্রতিনিধিদলের বেগ পেতে হয়। সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে রাজ্জাকসহ প্রতিনিধিদল টেকনাফ স্থলবন্দরে এসে পৌঁছান। 

দেশের মাটিতে পা রাখা নায়েক রাজ্জাক কেমন আছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি সুস্থ্ আছি। নিজ ভূমিতে ফিরতে পেরে কি যে আনন্দ হচ্ছে তা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না।

এছাড়া দেশে ফেরত আনার ব্যাপারে কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বাংলাদেশ বিজিবির প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন তিনি।

প্রসঙ্গত, রোহিঙ্গাদের নিয়ে টানাপোড়েনের মধ্যে গত ১৭ জুন বুধবার কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে নাফ নদীতে গোলাগুলির পর বিজিবি সদস্য রাজ্জাককে ধরে নিয়ে যায় বিজিপি। ওই ঘটনায় সিপাহী বিপ্লব নামে আরেক বিজিবি সদস্য গুলিবিদ্ধ হন।

অপহরণের ৯ দিনের মাথায় অবশেষে দেশে ফিরেলেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) নায়েক আব্দুর রাজ্জাক। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে বিজিবি প্রতিনিধি দল নায়েক রাজ্জাককে নিয়ে টেকনাফ স্থলবন্দরে পৌঁছান বলে জানিয়েছেন বিজিবি কক্সবাজার সেক্টর`র অতিরিক্ত পরিচালক (অপারেশন) মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেল সোয়া তিনটার দিকে মিয়ানমারের মংডুতে পতাকা বৈঠকে শেষে তাকে বিজিবি প্রতিনিধিদলের কাছে হস্তান্তর করে বিজিপি।

মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম জানান, তাকে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে টেকনাফ ৪২ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. আবু জার আল জাহিদের নেতৃত্বে সাত সদস্যের প্রতিনিধিদল মিয়ানমারের মংডুর উদ্দেশ্যে রওনা দেন। প্রতিনিধিদলের সঙ্গে ছিলেন স্টাফ অফিসার মেজর মাহবুব সাবের, মেডিকেল অফিসার মেজর মো. শাহ আলম।

বিজিবি প্রতিনিধিদল মংডু পৌঁছানোর পর মিয়ানমার এন্ট্রি-এক্সিট পয়েন্ট-১ এর `দেওয়ান নান্দি হল` এ ৪২ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন এবং মিয়ানমার বর্ডার গার্ড পুলিশ দুই নম্বর ব্রাঞ্চ এর মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পতাকা বৈঠকে মিয়ানমার বিজিপি ১০ সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন ২ নম্বর বর্ডার গার্ড পুলিশ ব্রাঞ্চ অধিনায়ক লে. কর্নেল থি হান।

বৈঠক শেষে অস্ত্র (এসএমজি), ম্যাগজিন ও গোলাবারুদসহ অপহৃত রাজ্জাককে বিকেল সোয়া তিনটার দিকে ফেরত দেয় বিজিপি। পতাকা বৈঠকে রাজ্জাক অপহরণের মতো ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না ঘটে সে বিষয়ে আলোচনা করা হয় বলে জানান বিজিবির ওই কর্মকর্তা।
সব প্রক্রিয়া শেষে মিয়ানমারের মংডু থেকে রাজ্জাককে নিয়ে বেলা পৌনে ৪টার দিকে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওনা দেয় বিজিবি প্রতিনিধি দলটি। কিন্তু বৈরী আবহওয়ার কারণে বিজিবি প্রতিনিধিদলের বেগ পেতে হয়। সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে রাজ্জাকসহ প্রতিনিধিদল টেকনাফ স্থলবন্দরে এসে পৌঁছান।

দেশের মাটিতে পা রাখা নায়েক রাজ্জাক কেমন আছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি সুস্থ্ আছি। নিজ ভূমিতে ফিরতে পেরে কি যে আনন্দ হচ্ছে তা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। এছাড়া দেশে ফেরত আনার ব্যাপারে কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বাংলাদেশ বিজিবির প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন তিনি।

প্রসঙ্গত,রোহিঙ্গাদের নিয়ে টানাপোড়েনের মধ্যে গত ১৭ জুন বুধবার কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে নাফ নদীতে গোলাগুলির পর বিজিবি সদস্য রাজ্জাককে ধরে নিয়ে যায় বিজিপি। ওই ঘটনায় সিপাহী বিপ্লব নামে আরেক বিজিবি সদস্য গুলিবিদ্ধ হন।

রাজ্জাককে ধরে নেওয়ার পরদিন ঢাকায় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ডেকে পাঠানো হয়। অপহৃত বিজিবি সদস্যকে দ্রুত ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করতে বলা হয় তাকে। অন্যদিকে রাজ্জাককে ফেরাতে বিজিবির পক্ষ থেকে কয়েকদফা পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানানো হলেও মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাড়া না পাওয়ায় এক সপ্তাহ ধরে বিষয়টি ঝুলে থাকে।

বিজিপির ফেইসবুক পেইজে এরই মধ্যে নায়েক রাজ্জাকের দুটো ছবি প্রকাশ করা হয়, যাতে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় হাতকড়া হাতে দেখা যায়। একপর্যায়ে রাজ্জাককে ফেরত দিতে বাংলাদেশ সরকারকে শর্তও দেয় মিয়ানমার। তারা দাবি করে, মিয়ানমার উপকূলে পাচারকারীদের নৌকা থেকে উদ্ধার ৫৫৫ জনকেও বিজিবি সদস্য রাজ্জাকের সঙ্গে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনতে হবে। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল গত মঙ্গলবার বলেন, মিয়ানমার `অতিরিক্ত` করছে।

এরপর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিজিবি প্রধান মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ বিজিপির পতাকা বৈঠকের চিঠি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

 

স্বস্তি ফিরেছে রাজ্জাকের পরিবারে
আমাদের নাটোর সংবাদদাতা জানান,মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কাছ থেকে বিজিবির নায়েক আব্দুর রাজ্জাকের ছাড়া পাওয়ার খবরে তার পরিবারে স্বস্তি ফিরে এসেছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মিয়ানমার থেকে ছাড়া পায় নায়েক রাজ্জাক। টিভিতে এ খবর দেখে নাটোরের সিংড়া উপজেলার বড়বাড়িয়ায় তার গ্রামের বাড়িতে আনন্দের ঢেউ বয়ে যায়। এতে প্রতিবেশীরাও যোগ দেন। রাজ্জাকের ছাড়া পাওয়ার খবরে তার বাড়িতে শুকরিয়া মোনাজাত করা হয়।

 

সদ্যোজাত ছেলে কোলে বিজিবির নায়েক রাজ্জাকের স্ত্রী আসমা রাজ্জাক

সদ্যোজাত ছেলে কোলে বিজিবির নায়েক রাজ্জাকের স্ত্রী আসমা রাজ্জাক

রাজ্জাকের ছাড়া পাওয়ার খবরের পর সদ্যোজাত সন্তান ও অন্য দুই সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে বাড়িতে উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে আসেন রাজ্জাকের স্ত্রী আসমা বেগম। তিনি বলেন, নবজাতককে ওর বাবার কোলে তুলে দেয়ার অপেক্ষায় আছি। অন্য ছেলে-মেয়েরাও বাবাকে জড়িয়ে ধরার অপেক্ষায় আছে। বাবার ছাড়া পাওয়ার কথা শোনার পর থেকে খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করে ছেলে-মেয়েরা টেলিভিশনের সামনে বসে থাকে বলেও জানান তিনি।রাজ্জাকের মা বুলবুলি বেগম বলেন, ছেলে বাড়ি এলেই সদ্যোজাত নাতির নাম রাখা হবে। তার আকিকা করা হবে। এসব নিয়ে এরইমধ্যে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে বলেও জানান তিনি।ছেলেকে ফিরিয়ে আনায় সরকার ও বিজিবি কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান রাজ্জাবের বাবা তোফাজ্জল হোসেন। শিগগিরই রাজ্জাককে সরাসরি দেখার আশা প্রকাশ করেন তিনি। এজন্য সাংবাদিকদের মাধ্যমে বিজিবি কর্তৃপক্ষের কাছে তার ছুটিও প্রার্থনা করেন।গত ১৭ জুন কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে নাফ নদীতে গোলাগুলির পর বিজিবির নায়েক রাজ্জাককে ধরে নিয়ে যায় মিয়নামারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী-বিজিপির সদস্যরা। এরইমধ্যে নায়েক রাজ্জাকের দুটো ছবি প্রকাশ করা হয়, যাতে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় হাতকড়া হাতে দেখা যায়। এ অবস্থায় রাজ্জাকের স্ত্রী আসমা বেগম গত রোববার সকালে এক পুত্র সন্তানের জন্ম দেন। অনেক আলোচনা-সমালোচনার পর পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে আজ তাকে ফিরিয়ে দেয় মিয়ানমার।.

শনিবারের চিঠি / আটলান্টা/ ২৬ জুন ২০১৫

Facebook Comments Box

বাংলাদেশ সময়: ৯:১৯ পূর্বাহ্ণ | শুক্রবার, ২৬ জুন ২০১৫

https://thesaturdaynews.com |

Development by: webnewsdesign.com